প্রেস বিজ্ঞপ্তি:: নগরীর হাজারী গলিতে অবৈধ ঔষধের গোউডানে মেয়াদউত্তেীর্ণ -ভেজাল ও ফুড সাপ্লিমেন্ট এর সর্ববৃহৎ পাইকারী ওষুধের বাজারে গত ২৪ নভেম্বর বিরুদ্ধে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমান অভিযান পরিচালনার সময় চিহ্নিত ঔষধের ব্যবসায়ী গ্রুপের হামলার শিকার হোন আইন শৃংখলা বাহিনীর সদস্য সিরাজ ও মুজিব এবং নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেটের সহকারী। হাজারী গলিতে ভ্রাম্যমান আদালতের উপর হামলার খবরে উদ্বেগ প্রকাশ করে ক্যাব নেতৃবৃন্দ বলেন ,জনস্বার্থ রক্ষায় রাস্ট্রীয় জনগরুত্বপুর্ন ভ্রাম্যমান আদালতের উপর হামলার ঘটনা দেশে আইনের শাসন কায়েম, আইনশৃংখলা ও জনস্বার্থ রক্ষায় প্রশাসনের উদ্যোগ মারাত্মক ভাবে ব্যাহত হবে। অপরাধীরা আরো বেপরোয়া হয়ে উঠবে। আর প্রতিক্রিয়া সমাজের অন্যান্য অংশের উপর ও বিস্তিৃতি লাভ করবে।
ক্যাব নেতৃবৃন্দ বিবৃতিতে বলেন, একশ্রেণীর নীতিআদর্শবিহীন ওষুধ ব্যবসায়ীরা অধিক মুনাফার আশায় ঔষধের নামে শিকারীর মতো নিরীহ রোগীদের জীবণ নিয়ে ছিনি মিনি খেলছেন । আর এসব ফার্মেসীগুলি অনুমোদন বিহীন, মেয়াদউত্তীর্ণ, ঔষধের নামে মাদ্রকদ্রব্য, ফুড সাপ্লিমেন্ট বিক্রির মতো ওষুধ বিপণনে অনৈতিক কর্মকান্ড জড়িত। কিন্তু স্বাস্থ্য বিভাগ ও ঔষধ প্রশাসনের দায়িত্বহীন কর্মকান্ডে ও নজরদারির ফাঁকে সাধারন খাদ্যে পন্যের মতো ভেজাল ওষুধের রমমরমা ব্যবসায় দিনে দিনে কোটিপতি হবার বাসনায় বেশী লাভের আশায় ভেজাল, অনুমোদনহীন ও মেয়াদৌত্তীর্ন ওষুধ বিক্রয়ে আগ্রহী। যার কারনে খাদ্যে ভেজালের মতো না খেলে যেমন মানুষ মরে না, ভেজাল খাদ্যে মরার মতো অবস্থা হয়ে আছে।
এখন মানুষ ওষুধ না খেলে মরছে না, ওষুধ খেলে মরার সম্ভাবনা বেড়েছে। আর এই জীবন রক্ষাকারী ওষুধের বাজারে ভেজালের স্বর্গ রাজ্য তৈরীতে মুল হোতা হলো ফামেসীগুলি। জেলা প্রশাসন ভেজাল ওষুধের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা শুরু করার পর থেকে ফার্মেসী ও কেমিস্ট ও ড্রাগিষ্ট সমিতি বারংবার জেলা প্রশাসনকে বিভ্রান্ত মূলক তথ্য দিয়ে অপচেস্টায় লিপ্ত ছিল বলে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের অফিস সূত্রে জানা গেছে ।
এদিকে চট্রগ্রাম সিভিল সার্জন ডাঃ আজিজুর রহমান কে এ বিষয়ে জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন, ঔষধ প্রশাসনও স্বাস্থ্য বিভাগ প্রকৃত তালিকা ভ’ক্ত ফার্মেসী ও কেমিস্ট ও ড্রাগিষ্ট এর লাইসেন্স আছে কিনা আমাদের জানালে তা ব্যবস্থা নিতে পারবো এবং ফার্মেসীতে ডাঃ পরিচয় দিয়ে ঔষধ বিক্রি সম্পূর্ন অবৈধ । এর প্রভাবেও ঔষধের নামে মাদ্রকদ্রব্য বিক্রি বেড়েছে । কথিত ভুয়া ডাক্তারের কারণেও মেয়াদউত্তেীর্ণ -ভেজাল ও ফুড সাপ্লিমেন্ট এর প্রচলন দিব্যি চলছে ।নগরীর ইপিজেড-বন্দর,পতেঙ্গা এবং আগ্রাবাদ -চকবাজার,জিইসিমোড়,অক্সিজেন এলাকায় অত্যাধিক হারে ভুয়া ডাক্তার ও অবৈধফার্মেসী তে মেয়াদউত্তীর্ণ, ঔষধের নামে মাদ্রকদ্রব্য বিক্রি হছ্চে ।
নেতৃবৃন্দ আরো দাবী করে বলেন, সরকার ও প্রশাসন কতিপয় সুযোগ সন্ধানী অসাধু ব্যবসায়ীদের সাথে আপোষ করলে পুরো দেশ ও জাতির ভবীষ্যৎ অন্ধকার হয়ে পড়বে। জীবনরক্ষাকারী ওষুধ বিপননে ভেজাল, মাদক, অবৈধ ওষুধ বিক্রেতাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহন না মারাত্মক অপরাধ রাস্ট্রদ্রোহের শামিল।
ক্যাব কেন্দ্রিয় নির্বাহী কমিটি সদস্য এস এম নাজের হোসাইন, বিভাগীয় সাধারন সম্পাদক কাজী ইকবাল বাহার ছাবেরী, মহানগরের সভাপতি জেসসিন সুলতানা পারু, সাধারন সম্পাদক অজয় মিত্র শংক ভবিষ্যতে দৃঢ়আশাব্যক্ত কওে বলেন যে, অসাধু ব্যবসায়ীদের অন্যায্য দাবীর কাছে মাথা নত না করে দেশ -জাতিকে জীবনরক্ষাকারী ওষুধের ব্যবসায় ন্যায্যতা ও স্বচ্ছতা প্রতিষ্ঠায় সরকার ও প্রশাসন কার্যকর উদ্যোগগ্রহন করবেন।
