পেনিনসুলায় চলছে পিঠা উৎসব

0

চট্রগ্রাম : হরেক রকম স্বাদের পিঠা নিয়ে নগরীর হোটেল দি পেনিনসুলায় বসেছে পিঠা উৎসব। বৃহস্পতিবার রাতে ফিতা কেটে উৎসবের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক মেজবাহ উদ্দিন।

ভাপা পিঠা, পুলি পিঠা, নারিকেল পুলি পিঠা, ভাপা কুলি পিঠা, পাটিসাপটা, লাল পাটিসাপটা, পাকন পিঠা। আরও আছে ফ্রাইড কলি পিঠা, ছাঁচ পিঠা, সবুজ রঙের পাতা পিঠা, বেণী পিঠা, গোলাপ পিঠা, তালের পিঠাসহ রকমারি স্বাদ ও নকশার পিঠায় ভরা এই পিঠা উৎসব।

হোটেলর লাগুনা রেস্টুরেন্টে ব্যতিক্রমী এ পিঠা উৎসব চলবে ৩০ জানুয়ারি (শনিবার) পর্যন্ত।

উদ্বোধনী বক্তব্যে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন বলেন, শীতের পিঠা পুলি আমাদের দেশের অন্যতম ঐতিহ্য। কিন্তু পশ্চিমা সংস্কৃতির কেক, পেস্ট্রি আর ফাস্ট ফুডের ভিড়ে পিঠার আবেদন দিন দিন হারিয়ে যাচ্ছে। এ ধরনের উৎসব আয়োজনের মধ্য দিয়ে বাঙালির চিরায়ত ঐতিহ্যকে ধরে রাখা সম্ভব।

গ্রামীণ পিঠাকে তুলে আনার পাশাপাশি উৎসবের সাজসজ্জায়ও আনা হয়েছে গ্রামীণ আবহ। আস্ত খেজুরগাছ, মাটির চুলা, ধোঁয়া ওঠানো খেজুরের রস আর গরুর গাড়ির ব্যাকস্ক্রিন দিয়ে সাজানো হয়েছে পুরো পরিবেশ। এছাড়া উৎসবে এলে দেখা মিলবে ‘মা-মাটি-মানুষ পিঠা’র মতো নামে-স্বাদেও অতুলনীয় ব্যতিক্রমী একটি পিঠার।

পেনিনসুলার সেলস অ্যান্ড মার্কেটিং বিভাগের কো-অর্ডিনেটর ফারিয়া তাহমিন বলেন, আমাদের দেশের মানুষের হৃদয় থেকে শীতের পিঠার চাহিদা এখনও হারিয়ে যায়নি। তাই আমরা ব্যতিক্রমী এ উৎসবের আয়োজন করছি। আমাদের লাগুনার ব্যুফে গ্রাহকদের বাঙালির চিরায়ত ঐতিহ্যের সঙ্গে মেলবন্ধন ঘটাতেই মূলত এ পিঠা উৎসব। আশা করি এ উৎসবের মধ্য দিয়ে গ্রাহকরা তাদের শৈশবের পিঠাপুলির স্বাদ ফিরে পাবেন।

আয়োজক কর্তৃপক্ষ জানায়, পিঠা উৎসবে নিয়মিত বুফের সঙ্গে এ আয়োজন থাকবে। এর জন্য বাড়তি কোনো টাকা দিতে হবে না। তবে কেউ যদি প্রিয়জনের জন্যে বাসায় নিয়ে যেতে চায় তবে আট পিসের দু’টি প্যাকেজ রয়েছে। একটি ৭০০ টাকা, অপরটি ৫০০ টাকা। এর সঙ্গে যুক্ত হবে ভ্যাট ও সার্ভিস চার্জ।

এ বিভাগের আরও খবর
আপনার মতামত লিখুন :

Your email address will not be published.