কামরুল ইসলাম দুলু: শিক্ষা ও উন্নয়ন ও সমৃদ্ধিতে একটা জাতি তার লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারে। একটা জাতিকে কুৃসংস্কার অন্ধকার থেকে আলোর দিকে পরিচালিত করতে শিক্ষার বিকল্প নেই। একটা শিক্ষিত জাতি একটা দেশের উন্নয়নের অংশীদার হতে পারে। গতকাল শনিবার বাঁশবাড়িয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের ৩৪বর্ষপূর্তি ও মিলনমেলা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্থানীয় সংসদ সদস্য আলহাজ্ব দিদারুল আলম একথা বলেন।
সকালে স্কুল প্রাঙ্গনে বর্ণিল সাজে বিভিন্ন ব্যাচের শিক্ষার্থীরা রং বেরং ব্যানার পেষ্টুন, টি-শার্ট নিয়ে র্যালীতে অংশগ্রহন করে। র্যালীর পর পতাকা উত্তোলন ও বেলুন উড়িয়ে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন বাঁশবাড়িয়া উচ্চ বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি আবুল কালাম আজাদ।
অনুষ্ঠানে ১ম পর্বের স্মৃতিচারনের উৎসব উদযাপন পরিষদের আহবায়ক মো. নাদিম উদ্দিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে এবং আব্দুর রশিদ সুমনের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত স্মৃতিচারন সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের সচিব ড. পিযুয দত্ত। স্মৃতিচারণ করেন- বাঁশবাড়িয়া ইউপি চেয়ারম্যান শওকত আলী জাহাঙ্গীর, আরিফুল হক রাজু, খুরশিদ আলম, মো. আলমগীর হোসেন, আব্দুল্লাহ আল হারুন, হারুনুর রশিদ প্রমুখ। এরপর প্রধান অতিথি দিদারুল আলম এমপি উৎসব উপলক্ষে প্রকাশিত স্মারকগ্রন্থের উন্মোচন করেন।
অনুষ্ঠানের বিকেলের পর্বে স্মুতিচারণ সভার প্রধান অতিথি ছিলেন রাজনীতিবিদ ও সমাজসেবক লায়ন আসলাম চৌধুরী এফসিএ। বাঁশবাড়িয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. ইসহাকের সভাপতিত্বে এবং আব্দুর রশিদ সুমনের পরিচালনায় স্মৃতিচারণ করেন-বিএনপি নেতা জহিরুল আলম জহুর, আবুল বশর ভুঁইয়া, ডা. আবুল কালাম আজাদ, মো. নাসিম উদ্দিন, কাজী মো. মহিউদ্দিন, কামরুজ্জামান, কামরুদৌলা, আব্দুর রাজ্জাক, মো. মিয়া বদি, আশরাফউদ্দিন, একরামুল হক প্রমুখ।
স্মৃতিচারণ শেষে এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশন করা হয়।
………………..জেএম
