সজল চক্রবর্তী : চট্টগ্রামে যানজটের রশি টেনে ধরা যাচ্ছেনা কিছুতেই। জনসংখ্যা ও যানবাহন বাড়লেও সড়ক বাড়েনি। যান্ত্রিক যানবাহনের পাশাপাশি ব্যাটারী চালিত রিক্সশা আবার চলতে দেখা যাচ্ছে। যানজটের পেছনে ট্রাফিক ব্যবস্থা যেমন দায়ী তেমনি দায়ী সিন্ডিকেট চাঁদাবাজীর ঘটনা।
সার্জেন্ট ও ট্র্যাফিক পুলিশ নগরীর গুরুত্বপূর্ণ সড়কের মোড়ে সকাল থেকে রাতে অবাধে প্রকাশ্যে চালাছে চাঁদাবাজি। প্রতিটি বাসকে নগরীতে চলাচলের জন্য সপ্তাহ ও মাসিক ভিত্তিতে নির্দিষ্ট হারে চাঁদা দিতে হয়। চাঁদা দেওয়ার কারণে শহরে যেখানে সেখানে যাত্রী উঠানামার কাজ করছে। ট্র্যাফিক পুলিশের ঢিলেঢালা ও গাছাড়াভাবের কারণে ব্যাস্ত সড়ক দীর্ঘক্ষন গাড়ী থামিয়ে, গাড়ী রেখে যানজটের সৃষ্টি করছে।
কদমতলী ফ্লাইওভারের নীচে ফলের মিনিট্রাক, বাস, টেম্পু,রিক্সার গ্যারেজ ও ভ্যানগাড়ীর ষ্টেন গড়ে তোলা হয়েছে। এসবের ভেতর পুলিশ বসে সকাল থেকে গভীররাত পর্য্যন্ত ফলের ট্রাক থেকে আদায় করে বখরা। সিএনজি চালকেরা প্রতিদিন হয়রানীর শিকার হচ্ছেন। নগরীর গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে সাজের্ন্টগন ও ট্র্যাফিক পুলিশ ফ্রী ষ্টাইলে চালাচ্ছে চাঁদাবাজী।
মোটরসাইকেল চালকসহ অন্যান্য যানবাহন নগরীর শাহআমানত ব্রীজ এলাকায় হয়রানীর শিকার হচ্ছেন।
