টানা ৫দিন পর চট্টগ্রাম বন্দরে পণ্য খালাস শুরু

0

সিটিনিউজবিডি : শ্রমিকদের কর্মবিরতি প্রত্যাহারের পর আজ রোববার দুপুর থেকে চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে বড় জাহাজ থেকে পণ্য স্থানান্তর শুরু হয়েছে। তবে কর্ণফুলী নদীর ঘাটগুলোতে সকাল আটটা থেকে পণ্য খালাস শুরু হয়। গতকাল শনিবার দিবাগত মধ্যরাতে কর্মবিরতি প্রত্যাহারের ঘোষণা দেয় নৌশ্রমিক সংগ্রাম পরিষদ।

রাজধানীর মতিঝিলের শ্রম ভবনে সরকার, মালিক-শ্রমিকদের ত্রিপক্ষীয় বৈঠকের পর কর্মবিরতি প্রত্যাহারের এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
বন্দরের বহির্নোঙরে বড় জাহাজ থেকে পণ্য স্থানান্তরে নিয়োজিত প্রতিষ্ঠানগুলোর সংগঠন শিপ হ্যান্ডেলিং অ্যান্ড বার্থ অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশনের ভাইস চেয়ারম্যান এ কে এম শামসুজ্জামান আজ দুপুরে বলেন, দুপুর থেকে মূলত বহির্নোঙরে বড় জাহাজ থেকে ছোট জাহাজে পণ্য স্থানান্তর কাজ পুরোদমে শুরু হয়েছে।

তিনি জানান, কর্মবিরতি শুরু হওয়ার পর লাইটার জাহাজ সাগর থেকে কর্ণফুলী নদীতে এনে নোঙর করে রাখা হয়েছিল। পণ্য খালাসে নিয়োজিত শ্রমিকেরাও তীরে চলে এসেছিলেন। কর্মবিরতি প্রত্যাহারের পর আজ সকাল থেকে পালাক্রমে শ্রমিকেরা বহির্নোঙরে পণ্য স্থানান্তরের জন্য গেছে।

গত সোমবার থেকে টানা পাঁচ দিনের কর্মবিরতিতে বন্দরের বহির্নোঙরে ৫২টি বড় জাহাজে প্রায় সাড়ে ১১ লাখ টন পণ্য আটকা পড়ে। বন্দরের বহির্নোঙরে বড় জাহাজ থেকে বোঝাই করে সারা দেশে নেওয়ার পথে আটকা পড়ে সোয়া সাত লাখ টন পণ্যবাহী ৬১১টি লাইটার জাহাজ। বন্দরের বহির্নোঙরে বড় জাহাজ থেকে পণ্য স্থানান্তর করে ৯৫টি লাইটার জাহাজে রাখা হয়েছে আরও ১ লাখ ৩০ হাজার টন পণ্য।

লাইটার জাহাজ পরিচালনাকারী সংস্থা ওয়াটার ট্রান্সপোর্ট সেলের নির্বাহী পরিচালক মাহবুব রশীদ বলেন, আমদানিকারকদের ১১৬ জাহাজ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল। সেগুলোতে কাজ শুরু হয়েছে। নতুন করে আরও লাইটার জাহাজ বরাদ্দ দেওয়া হচ্ছে।

লাইটার জাহাজ শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক নবী আলম জানান, কর্ণফুলী নদীতে অবস্থিত বেসরকারি ঘাটগুলোতে সকালে লাইটার জাহাজ থেকে পণ্য খালাস শুরু হয়েছে।

এ বিভাগের আরও খবর
আপনার মতামত লিখুন :

Your email address will not be published.