রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় মান্নার জামিন

0

সিটিনিউজবিডি : রাষ্ট্রদ্রোহের ষড়যন্ত্রের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় জামিন পেলেন নাগরিক ঐক্যের আহবায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না। গুলশান থানায় দায়ের করা এই মামলায় জামিন পেলেও মান্নার বিরুদ্ধে সেনা উসকানির অভিযোগে আরও একটি মামলা থাকায় এখনই তিনি মুক্তি পাচ্ছেন না।

মঙ্গলবার বিচারপতি সৈয়দ দস্তগীর হোসেন ও বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়ার সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় জারি করা রুল নিষ্পত্তি করে মান্নার জামিন আদেশ দেন।

আদালতে মান্নার পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী ইদ্রিসুর রহমান। আর রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ড. মো. বশিরউল্লাহ।

মান্নার আইনজীবী ইদ্রিসুর রহমান বলেন, রাষ্ট্রদ্রোহের মামলায় আদালত সরকারের প্রতি জারি করা রুল নিষ্পত্তি করে মাহমুদুর রহমান মান্নার জামিন মঞ্জুর করেছেন।

তিনি বলেন, মান্নার বিরুদ্ধে গুলশান থানায় সেনা উসকানির অভিযোগে আরও একটি মামলা থাকায় এখনই তিনি মুক্তি পাচ্ছেন না।

মান্নার আইনজীবী জানান, ওই মামলার তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেয়ার পর জামিন আবেদন শুনানি হতে পারে। এ জন্য এক থেকে দেড় মাস সময় লাগতে পারে।

প্রসঙ্গত, নিউইয়র্কে অবস্থানরত বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান সাদেক হোসেন খোকা এবং অন্য এক ব্যক্তির সঙ্গে মান্নার টেলিফোন আলাপের দুটি অডিও ক্লিপ প্রকাশের পর ২০১৫ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি তাকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

এরপর একই বছর ২৪ ফেব্রুয়ারি ও ৫ মার্চ সেনা বিদ্রোহে উসকানি ও রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগে গুলশান থানায় মান্নার বিরুদ্ধে দুটি মামলা হয়।

এই দুই মামলায় ২০১৫ সালের ২ ও ৭ মার্চ নিম্ন আদালত মান্নার জামিন আবেদন নাকচ করে দেয়। এরপর স্বাস্থ্যগত কারণ দেখিয়ে হাইকোর্টে জামিনের আবেদন করেন তিনি।

সেই আবেদনের ওপর ২১ মার্চ শুনানি হয়। সেদিন শুনানি নিয়ে আদালত জামিন প্রশ্নে রুল দেন। রুলে ওই দুই মামলায় তাকে কেন জামিন দেয়া হবে না, তা জানতে চাওয়া হয়।

মঙ্গলবার সেই রুলের চূড়ান্ত শুনানি শেষে আদালত রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় মান্নার স্থায়ী জামিন আদেশ দেন।

অপরদিকে সেনা বিদ্রোহে উসকানির মামলার তদন্ত প্রতিবেদন জমার পর এই বিষয়ে জামিন শুনানির কথা রয়েছে। আগামী ২৪ অক্টোবর এই মামলার তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেয়ার তারিখ ধার্য রয়েছে। সেনা বিদ্রোহের মামলায় বিএনপি নেতা সাদেক হোসেন খোকাকেও আসামি করা হয়।

এ বিভাগের আরও খবর
আপনার মতামত লিখুন :

Your email address will not be published.