সিটিনিউজবিডি : চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ও নগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আ.জ.ম নাছির উদ্দীনের পৃষ্ঠপোষকতায় নগরীর ডি.সি হিল নজরুল স্কয়ার প্রাঙ্গণে নয়নাভিরাম পরিবেশে ৪র্থ বারের মত এবারও আগামী ৯-২৫ ডিসেম্বর ১৭ দিনব্যাপী বর্ণাঢ্য আয়োজনে আয়োজিত হতে যাচ্ছে বঙ্গবন্ধু বইমেলা ও মুক্তিযুদ্ধের বিজয় উসব।
এ উপলক্ষে উদযাপন পরিষদের উদ্যোগে এক প্রস্তুতি সভা গতকাল সন্ধ্যায় নগরীর থিয়েটার ইনস্টিটিউট চট্টগ্রাম (টিআইসি) লেকচার হলে অনুষ্ঠিত হয়।
উদযাপন পরিষদের সদস্য সচিব প্রাবন্ধিক ও লেখক শেখ মুজিব আহমেদের সভাপতিত্বে ও প্রধান সমন্বয়কারী সংস্কৃতিকর্মী খোরশেদ আলমের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত প্রস্তুতি সভায় বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি প্রবীণ রাজনীতিবিদ মুক্তিযোদ্ধা নঈম উদ্দিন চৌধুরী, বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ চট্টগ্রাম জেলা ইউনিট কমান্ডার মুক্তিযোদ্ধা সাহাব উদ্দিন, চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি সাংবাদিক আবু সুফিয়ান, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান অনুষদের সাবেক ডীন প্রফেসর ড. গাজী সালেহ উদ্দিন, মুক্তিযোদ্ধা বালাগাত উল্লাহ, সোনালী ব্যাংকের সাবেক (ডি এম ডি) আ.আ.ম শাহজাহান, প্রকাশক ও গবেষক জামাল উদ্দিন, রবীন্দ্র সংগীত শিল্পী সংস্থার সাধারণ সম্পাদক অনুপ সাহা, সাংবাদিক প্রদীপ খাস্তগীর, মুক্তিযোদ্ধা আবদুল হক, কিরণ লাল আচার্য্য, আওয়ামী লীগ নেতা দীপংকর চৌধুরী কাজল, চসিক মহিলা কাউন্সিলর আবিদা আজাদ, শিক্ষাবিদ উত্তম কুমার আচার্য্য, অধ্যাপক মাসুম চৌধুরী, নগর যুবলীগ নেতা সুমন দেবনাথ, পুলক খাস্তগীর, সংগীতশিল্পী কামরুল আজম চৌধুরী টিপু, সংস্কৃতি কর্মী শিল্পী কাজল দত্ত, রূপম মুৎসুদ্দী টিটু, কবি সজল দাশ, সুজিত দাশ অপু, সুজিত দাশ মিন্টু, প্রণব রাজ বড়ুয়া, কিশোর হাবিবুর রহমান, ওসমান জাহাঙ্গীর, আবদুর রহিম, নগর ছাত্রলীগ নেতা এড. টিপু শীল জয়দেব, বোরহান উদ্দিন গিফারী প্রমুখ।
প্রস্তুতি সভায় বক্তাগণ বলেন, বঙ্গবন্ধুর নামাঙ্কিত বইমেলা জাতিকে আলোয় আলোকিত করবে। আমরা জানি বই মানুষকে জাগায়। বই হোক জীবনের জয়গানের পাঠ্য। বঙ্গবন্ধুর নামে এই বইমেলায় সৃজনশীল গ্রন্থ প্রকাশকদের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। তাঁদের অংশগ্রহণে ধন্য হবে এই আয়োজন।
বক্তাগণ আরো বলেন, রবীন্দ্র-নজরুল-বঙ্গবন্ধু বাঙালি জাতিসত্ত্বার আলোকবর্তিকা। বঙ্গবন্ধু বাঙালির শৃঙ্খল মুক্তির ঝংকার ধ্বনি। তিনি রাজনীতি ও সাহিত্যেও অনন্য। আমরা স্বাধীন-এই সত্যটা মানলে বঙ্গবন্ধুকে প্রতিক্ষণে অনুভব করতে হবে। এবারের এই প্রস্তুতি সভায় সিদ্ধান্ত গৃহিত হয় মুক্তিযুদ্ধের বিজয় চেতনাকে প্রজন্ম পরম্পরায় ধারণ করার উদ্দেশ্যে অস্বচ্ছল মুক্তিযোদ্ধাদের সহায়তা সংবর্ধনা, নারী সমাবেশ, শিশু-কিশোর চিত্রাংকন ও উদ্দীপনামূলক সাংস্কৃতিক প্রতিযোগীতায় মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্র প্রদর্শনী, নাটক, আবৃত্তি, দলীয় নৃত্য, এবং মুক্তিযুদ্ধের জাগরণের গান পরিবেশিত হবে। মেলায় মুক্তিযুদ্ধের বিষয় ভিত্তিক ইতিহাস সমগ্র বইয়ের স্টল থাকবে। এছাড়াও মুক্তিযুদ্ধের বিজয় উৎসব মঞ্চে প্রতিদিন মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিচারণ অনুষ্ঠান ও আলোচনা সভায় অংশগ্রহণ করবেন দেশের বরেণ্য বুদ্ধিজীবী, সাংবাদিক, ইতিহাসবিদ, মুক্তিযোদ্ধা, মুক্তিযুদ্ধের স্ব-পক্ষের রাজনীতিক, মন্ত্রী, স্থানীয় সংসদ সদস্য ও দেশের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।
