সিটিনিউজবিডি : চট্টগ্রামে বিগত ২০০৮সাল থেকে জাতীয় আয়কর দিবস এবং ২০১০সাল থেকে নিয়মিত জাতীয় আয়কর মেলা করে জনগনের মধ্যে আয়কর দেওযার যে ভীতি ছিল তা দূরীকরণে চট্রগ্রামের চারটি কর অঞ্চল সম্মিলিত ভাবে কাজ করে জাতীয় রাজস্ব সংগ্রহে ব্যাপক ভুমিকা রাখছেন। স্বনির্ভর অর্থনীতি হচ্ছে দেশীয় অভ্যন্তরীণ সম্পদের উপর রাষ্ট্রের শতভাগ নির্ভরশীলতা।
আজ সকালে রোববার (৩০ অক্টোবর) কর ভবনের সাম্পান হলে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে কর কমিশনার-১ এর কর্মকর্তা মো. মাহাবুব হোসেন এই কথা জানান।
আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে কর কমিশনার ও মেলার সদস্য সচিব বজলুল কবির ভুইয়া বলেন, কর ভীতি দূরকরণে আয়কর মেলার আয়োজন এবং সরকারি রাজস্ব বৃদ্ধিতে সহায়তার উদ্দেশ্যেই প্রতিবছর এই মেলা কিছুটা নতুনত্ব নিয়ে নানা রঙের আয়োজন বলেও মতপ্রকাশ করেন। কর দাতাদের সুবিধার্থে দুটি অনলাইন বুুথ, দুটি এডুকেশন বুথ এবং ব্যাংকিং সুবিধাসহ এবারেই প্রথম ২জন মহিলা করদাতা এবং একজন নবাগত উৎসাহ করদাতা সংবর্ধনা প্রদান/পুরস্কার প্রদান করবে।
তিনি আরো জানান, এই আয়করের অর্জিত অর্থেই চট্রগ্রামে সু-বিশাল ১৪ তলার কর ভবন নির্মাণের কাজ আগামী ২০১৭ সনের মাঝামাঝি সময়ে শুরু হবার ঘোষনা দেন।
কর কমিশনার (৩) এর কর্মকর্তা নজরুল ইসলাম জানান, ১ নভেম্বর সকালে জিইসি কনভেনশন সেন্টারে সকাল ১০টায় গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন এমপি প্রধান অতিথি থেকে সপ্তাহ ব্যাপী মেলার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন।
এছাড়া কর অঞ্চল সমূহের অধীনে কক্সবাজার জেলা ৪ দিন, রাঙ্গামাটির পার্বত্য জেলা ১দিন, সীতাকুন্ড, চকরিয়াতে ২দিন, আনোয়ারা, পটিয়া, চন্দনাইশ, রাউজান, হাটহাজারী, বোয়ালখালী, সাতকানিয়ায় ১দিন এবং টেকনাফ উপজেলাতে ১দিনের ভ্রাম্যমাণ আয়কর মেলা আয়োজন করার তথ্য জানান।
সংবাদ সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন-কর কমিশনার-৩ এর কর্মকর্তা মোতাহের হোসেন, প্রসুন্ন কুমার সরকার, আহম্মদ উল্লাহ এবং যুগ্ন কর কমিশনার ভুবন মোহন ত্রিপুরা প্রমুখ।
