বঙ্গবন্ধু ও চার নেতার হত্যাকারীদের পরিকল্পনা সফল হয়নি- মহিউদ্দিন চৌধুরী

0

নিজস্ব প্রতিবেদক :    বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর বাঙালি জাতিসত্তাকে চিরতরে নিশ্চিহ্ন করার জন্য ৩ নভেম্বর জাতীয় চার নেতাকে মোস্তাক-জিয়া পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছিলো। কিন্তু তাদের সেই পরিকল্পনা সফল হয়নি বলেন চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি আলহাজ্ব এ.বি. এম মহিউদ্দিন চৌধুরী ।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের অসংখ্য ত্যাগী নেতার আত্মত্যাগ, লড়াই-সংগ্রামের ফলে আওয়ামী আরো বেশী শক্তিশালী। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মানবতা বিরোধী যুদ্ধাপরাধী ও বঙ্গবন্ধু হত্যাকারীদের একে একে ফাঁসির দড়িতে ঝুলিয়ে এবং চার নেতার খুনীদের বিচার নিশ্চিত করে জাতিকে দায়মুক্ত করেছেন।

আজ ৩ নভেম্বর বিকেলে ৫ টায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার চত্বরে জেল হত্যা দিবস পালনোপলক্ষে চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় সভাপতির ভাষণে তিনি একথা বলেন।

মহিউদ্দিন চৌধুরী বলেন, যারা হত্যা, ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে স্বাধীন বাংলাদেশকে পাকিস্তানী ভাবধারায় পরিচালিত করে পেছনের দিকে ঠেলে দিয়েছিল তারা এখনও ষড়যন্ত্র করছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিস্ময়কর অগ্রযাত্রার ঈর্ষান্বিত হয়ে ১৫ আগস্ট ও ৩ নভেম্বরের পুনরাবৃত্তি ঘটাতে চায়। তাই আত্মতৃপ্তি ভুগবার সময় নেই। এদের শেকড় উপড়ে ফেলতে হবে।

চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সিটি মেয়র আ.জ.ম নাছির উদ্দীন বলেন ৭৫ পরবর্তী দীর্ঘ একুশ বছর সামরিক স্বৈরশাসক এদেশে জংলী শাসন কায়েম করেছিলো। পরবর্তীতে দোসরা জঙ্গীবাদ তৈরী করেছে। এদের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অপ্রতিরোধ্যে লড়াইকে যৌক্তিক পরিণতির দিকে এগিয়ে আমাদের সর্বোচ্চ ত্যাগ শিকার করতে হবে। তিনি আরো বলেন, এখন গরীব রাষ্ট্র নয়, উন্নয়ন সম্ভাবনায় সফল রাষ্ট্র। তাই আমাদের মধ্যে ভুল বুঝাবুঝি ও বিভেধের সীমা রেখা মুছে ফেলে এই সম্ভাবনাকে জাগিয়ে রাখতে হবে।

চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শফিক আদনানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় আরো বক্তব্য রাখেন সহ সভাপতি মাহতাব উদ্দিন চৌধুরী, আলহাজ্ব নঈম উদ্দিন চৌধুরী, আলহাজ্ব খোরশেদ আলম সুজন, জহিরুল আলম দোভাষ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম চৌধুরী, এম এ রশিদ, সাংগঠনিক সম্পাদক চৌধুরী হাসান মাহমুদ হাসনী, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক চন্দন ধর, ধর্ম সম্পাদক হাজী জহুর আহমদ, উপ দফতর সম্পাদক জহরলাল হাজারী, থানা আওয়ামী লীগের হাজী সুলতান আহমদ চৌধুরী, কার্যনির্বাহী সদস্য আলহাজ্ব পেয়ার মোহাম্মদ ওয়ার্ড আওয়ামী হাজ্বী মোহাম্মদ হাসান, শ্রমিক লীগের সাধারণ সম্পাদক কাজী মাহবুুবুল হক চৌধুরী এটলী, মহানগর যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক দেলোয়ার হোসেন খোকা।

সভামঞ্চে উপস্থিত ছিলেন মহানগর আওয়ামী লীগ সহ সভাপতি এডভোকেট সুনীল কুমার সরকার, সম্পাদক মন্ডলীর সদস্য আলহাজ্ব শফিকুল ইসলাম ফারুক, এডভোকেট ইফতেখার সাইমুল চৌধুরী, আহমেদুর রহমান সিদ্দিকী, যোবায়েরা নার্গিস খান, ইঞ্জিনিয়ার মানস রক্ষিত, শহীদুল আলম, বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য সৈয়দ মাহমুদুল হক, নির্বাহী সদস্য এম এ জাকের, হাজী মোহাম্মদ ইয়াকুব, আলহাজ্ব আবুল মনসুর, নুরুল আলম, শেখ শহীদুল আনোয়ার, বখতিয়ার উদ্দিন খান, অমল মিত্র, ছৈয়দ আমিনুল হক, রোটারিয়ান ইলিয়াস, জাফর আলম চৌধুরী, থানা আওয়ামী লীগের আলহাজ্ব জাহাঙ্গীর চৌধুরী, সিইনসি স্পেশাল, ছিদ্দিক আলম, মোমিনুল হক, অধ্যক্ষ আসলাম হোসেন, আবু তাহের, কাজী আলতাফ হোসেন, আনসারুল হক, মহানগর যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক ফরিদ মাহমুদ, মহানগর ছাত্রলীগের সভাপতি ইমরান আহমেদ ইমু, সহ ওয়ার্ড এবং অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

এ বিভাগের আরও খবর
আপনার মতামত লিখুন :

Your email address will not be published.