সিটিনিউজবিডি : ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সিনিয়র নায়েবে আমির মুফতি সৈয়দ ফয়জুল করিম (পীরে কামেল চরমোনাই) বলেছেন, বর্তমান শিক্ষা ব্যবস্থা মানুষকে নৈতিকতা শিক্ষা দিতে ব্যর্থ হচ্ছে। এই শিক্ষার মাধ্যমে ছাত্র শিক্ষকের হাতে এবং শিক্ষক ছাত্রের হাতে আজ নিরাপদ নয়। এই শিক্ষা লাভের ফলে মানুষকে দুর্নীতি কিংবা চুরি ডাকাতি থেকে রেহাই পাচ্ছেনা। যে যতবড় শিক্ষিত হচ্ছে তিনি তত বড় দুর্নীতিবাজ তথা চোর হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হচ্ছে। বাংলাদেশটাকে ৪ বার দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন করার জন্য বর্তমান সমাজের নৈতিক শিক্ষা বিবর্জিত শিক্ষিতরাই দায়ী। এজন্য সর্বত্রে নৈতিকতা তথা ধর্মীয় শিক্ষা বাধ্যতামুলক করতে হবে। তিনি অবিলম্বে ধর্মীয় চেতনা পরিপন্থী জাতীয় শিক্ষানীতি ও শিক্ষা আইন বাতিলের দাবি জানান।
আজ (৯ নভেম্বর) বুধবার নগরীর মুসলিম হলে জাতীয় শিক্ষক ফোরাম চট্টগ্রাম মহানগরী আয়োজিত শিক্ষক সমাবেশ ও নগর সম্মেলনে তিনি প্রধান অথিতির বক্তব্যে উপরোক্ত কথা বলেন।
শিক্ষক ফোরামের চট্টগ্রাম মহানগরীর সভাপতি মাওলানা ক্বারী দিদারুল মাওলানা সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সমাবেশে প্রধান বক্তা ছিলেন-জাতীয় শিক্ষক ফোরামের কেন্দ্রীয় আহবায়ক ও ইসলামী আন্দোলনের কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান।
বক্তব্য রাখেন ইসলামী আন্দোলনের চট্টগ্রাম মহানগরী সভাপতি আলহাজ্ব জান্নাতুল ইসলাম, তা’লীমুল কোরআন কমপ্লেক্স চট্টগ্রামের প্রধান পরিচালক মাওলানা হাফেজ তৈয়ব, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রভাষক মুফতি হুমায়ুন কবির খালবী, মা ও শিশু হাসপাতালের প্রফেসর ডা. ফরিদুল আলম, কাট্টলী জাকেরুল উলুম মাদরাসার প্রিন্সিপাল মাওলানা আবুল কালাম আজাদ, সন্দীপ আজিমপুর আশরাফুল উলুম মাদরাসার মাওলানা আবু বকর ছিদ্দিকী, আগ্রাবাদ পুলিশ লাইন জামে মসজিদের খতীব মাওলানা মনসুরুল হক জিহাদী, ইসলামী আন্দোলনের চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা সভাপতি সাংবাদিক শফকত হোসাইন চাটগামী, যুব আন্দোলনের চট্টগ্রাম মহানগরী আহবায়ক মাওলানা বোরহান উদ্দিন আল বারী, শিক্ষক ফোরামের চট্টগ্রাম মহানগরীর সদস্য সচিব মাওলানা আবদুল গফুর, সদস্য মাওলানা কামাল উদ্দিন সাকী, শাহমীরপুর মাদরাসার সহকারী পরিচালক মাওলানা মোহাম্মদ ইসমাইল, শিল্পী আল আমিন সাকী প্রমুখ।
সম্মেলনে মাওলানা দিদারুল আলমকে সভাপতি ও মাওলানা আবদুল গফুরকে সেক্রেটারী করে জাতীয় শিক্ষক ফোরাম চট্টগ্রাম মহানগরীর ২৬ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি ঘোষণা এবং তাদের শপথ বাক্য পাঠ করা হয়।
