সিটিনিউজবিডি : আশেকানে মাইজভান্ডারী এসোসিয়েশন চট্টগ্রাম শাখা কর্তৃক আয়োজিত ঐতিহাসিক লালদীঘি ময়দানে গত ২০ নভেম্বর সন্ধ্যায় পবিত্র কোরআন সুন্নার আলোকে এক মাইজভান্ডারী মহা সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
উক্ত সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন হযরত গাউছুল আজম শাহসূফি মাওলানা ছৈয়দ গোলামুর রহমান আল-মাইজভান্ডারী (কঃ) প্রকাশ বাবা ভান্ডারী কেবলার পৌত্র মাইজভান্ডার দরবার শরীফের সাজ্জাদানশীন শাহাজাদা আলহাজ্ব হযরত শাহসূফি মাওলানা ছৈয়দ মুজিবুর বশর আল-হাসানী আ-মাইজভান্ডারী (মা: জি:আ:)।
বিশেষ মেহমান হিসাবে উপস্থিত ছিলেন উনার একমাত্র শাহাজাদা ছৈয়দ নুরুল বশর আল-মাইজভান্ডারী ছাহেব।
উক্ত সম্মেলনে অন্যান্য বিশেষ অতিথিবৃন্দের উপস্থিত ছিলেন সাবেক মেয়র ও চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি আলহাজ্ব এ.বি.এম মহিউদ্দিন চৌধুরী, শাহসূফি মিজানুর রহমান, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ডীন কলা ও মানববিদ্যা অনুষদের প্রফেসর ডঃ মোহাম্মদ সেকান্দর চৌধুরী, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের সাবেক চেয়ারম্যান প্রফেসর ডঃ মোহাম্মদ জাফর উল্যাহ তালুকদার, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ডেপুটি কন্ট্রোলার অব এক্সজামিনেশন ও নিরাপত্তা প্রধান মোহাম্মদ বজল হক, প্যানেল মেয়র চৌধুরী হাসান মাহমুদ হাসনী ও আশেকানে মাইজ ভান্ডারী এসোসিয়েশনের চট্টগ্রাম মহানগরের পক্ষে বক্তব্য রাখেন এয়াকুব গ্রুপের চেয়ারম্যান এম এয়াকুব আলী। অন্যান্য ওলামায়েকেরামগণের মধ্যে বক্তব্য রাখেন মাওলানা নিজামুল হক আল মাইজভান্ডারী, মাওলানা তৌহিদুল আলম মাইজভান্ডারী, মাওলানা কেরাত উল্লাহ ফিরোজপুরী। উক্ত মাহফিলে চট্টগ্রামের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে হাজার হাজার আশেকানে মাইজভান্ডারী ভক্তবৃন্দরা ভিন্ন ভিন্ন কাফেলা যোগে উক্ত সম্মেলনে অংশগ্রহণ করেন। এতে লালদীঘি ময়দান সহ আশে পাশের এলাকা কানায় কানায় ভর্তি হয়।
প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে বলেন, মারামারি, হানাহানি ও রক্তপতের মাধ্যমে ইসলাম প্রতিষ্ঠা করা যায় না। আল্লাহ ও রাসুলের নির্দেশিত পথ অনুসরণের মাধ্যমে শান্তি প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব। তিনি আরও বলেন, মানব জীবনের চলনে বলনে কোরআন ছুন্নাহর আদর্শ থাকলেই প্রকৃত মোনি হওয়া যায়। পরিশেষে দেশ ও জাতি এবং বিশ্ব মুসলিম উম্মার সার্বিক কল্যাণ, শান্তি ও ঐক্য, কামনা করে আখেরী মোনাজাত পরিচালনা করেন হযরত শাহসুফি আলহাজ্ব মাওলানা সৈয়দ মুজিবুল বশর আল-হাছানী, আল-মাইজভান্ডারী কেবলা (মাঃ জিঃ আঃ)।
