আরাকান সড়কের বোয়ালখালীতে অবৈধ স্থাপনা

0

বাবর মুনাফ : চট্টগ্রাম-কক্সবাজার আরাকান সড়কের বোয়ালখালী অংশে অবৈধভাবে দখল করে একের পর এক স্থাপনা নির্মাণ করে চললেও কোনো কার্যকরী পদক্ষেপ নিচ্ছে না প্রশাসন।

এ সড়কের পাশে থাকা খাল, নয়নঝিলসহ সরকারি জায়গায় অবৈধ স্থাপনা একেরপর এক স্থাপনা নির্মাণ করে চলেছে। এসব স্থাপনা নির্মাণের ফলে পানি নিষ্কাশন বিঘ্ন হচ্ছে। ফলে ওই এলাকা পানিতে নিমজ্জিত থাকার পাশাপাশি চাষাবাদ ব্যাহত হচ্ছে।

জানা গেছে, চট্টগ্রাম-কক্সবাজার আরাকান (কালুরঘাট-মনসারটেক (এন-১০৭) জাতীয় মহাসড়ক) সড়কের সওজ অধিদপ্তর কর্তৃক অধিগ্রহণকৃত সরকারী জায়গার উপর এপ্রোচ সড়ক ব্যাতিরেখে সম্পূর্ণ অবৈধভাবে স্থাপনা নির্মাণ কাজ চালিয়ে যাচ্ছে প্রভাবশালী মহল। একের পর এক সড়কের পার্শ্ববতী খাল দখল করে স্থাপনা নির্মাণ করছে।

তবে গত ২০১৫ সালে তৎকালীন সহকারী কমিশনার (ভূমি) দেওয়ান মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম উপজেলার গোমদন্ডী ফুলতল, কালুরঘাট, শাকপুরা চৌমুহনীর অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে ব্যাপক অভিযান পরিচালনা করে জরিমানাসহ শতাধিক স্থাপনা উচ্ছেদ করেছিলেন। তিনি বদলী হয়ে যাওয়ার পর সেই উচ্ছেদ অভিযান থমকে যায়। সেই সাথে উচ্ছেদকৃত স্থাপনা আবারো পুনরায় দখল করে নেয় সড়কের চারপাশ।

এ ব্যাপারে সহকারী কমিশনার (ভূমি) সুরাইয়া আকতার সুইটি বলেন, সড়ক ও জনপদ বিভাগের পক্ষ থেকে কোনো ধরণের সিদ্ধান্ত না পাওয়ায় অভিযান পরিচালনা করা যাচ্ছে না। তবে তারা যদি অভিযান পরিচালনায় সহযোগীতা চান, করা হবে।

তিনি জানান, যোগদানের পর থেকে সড়ক ও জনপদ বিভাগ থেকে শুধুমাত্র একবার সরকারি খাস জমি উদ্ধারে সহযোগীতা চেয়েছিলেন। সওজ যদি চায় সব ধরণের সহযোগীতা করা হবে।

এ বিষয়ে জানতে সড়ক ও জনপদ বিভাগের সড়ক শাখার বোয়ালখালীর উপ-সহকারী প্রকৌশলী মুজিবুরের মুঠোফোনে একাধিকবার কল দিলেও তিনি রিসিভ না করায় বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।

সড়ক ও জনপথ বিভাগ (সওজ) দোহাজারী বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মোছলেহ উদ্দিন বলেন, আরকান সড়কের সওজ’র সম্পত্তি অবৈধভাবে দখল হয়েছে। তা দখলমুক্ত করতে প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। ইতোপূর্বে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পুলিশ প্রশাসনকে অবৈধ স্থাপনার ব্যাপারে অবহিত করা হয়েছে। তারা এগিয়ে না আসলে আমাদের করার কিছু থাকে না। তবে সহসা এ ব্যাপারে অভিযান চালানো হবে।

উল্লেখ্য, ১/১১-এ চট্টগ্রাম-কক্সবাজার আরকান মহাসড়কে যৌথ বাহিনী বিশেষ অভিযান চালিয়ে সওজের কোটি কোটি টাকার জায়গা দখলমুক্ত করেছিল। কিন্তু পরবর্তী সময়ে তা দখলবাজরা পুনরায় দখল করে নিয়েছে।

এ বিভাগের আরও খবর
আপনার মতামত লিখুন :

Your email address will not be published.