পর্ন ওয়েবসাইট বন্ধে কমিটি গঠন

0

দিলীপ তালুকদার : বাংলাদেশে মোবাইল ব্যবহারকারী প্রায় ৯০ শতাংশ লোক মোবাইলে নেট ব্যবহার করে থাকে।এদের মধ্যে প্রায় ৩০ শতাংশ নেট ব্যবহারকারী পর্নগ্রাফীতে যুক্ত। তাদের মধ্যে যুবসমাজই সবচেয়ে বেশী।অন্যান্য দেশের তুলনায় বাংলাদেশে এর ব্যবহার বেশী। ক্লিক করার সাথে সাথেই খুলে যায় সব পর্ন সাইটগুলো। সূত্র অনলাইন গবেষনা সংস্থার।

গতকাল বাংলাদেশে ইন্টারনেটে পর্নগ্রাফি ও আপত্তিকর কন্টেন্ট প্রকাশ বন্ধে একটি কমিটি গঠন করেছে টেলিযোগাযোগ বিভাগ। এই কমিটি আগামী সাত দিনের মধ্যে ইন্টারনেটে পর্নগ্রাফি ও আপত্তিকর কন্টেটের পূর্ণাঙ্গ ওয়েব তালিকা প্রস্তুত করে এগুলো বন্ধের তিন স্তরের কারিগরি প্রস্তাবনা তৈরি করবে। সোমবার সচিবালয়ে ‘অনলাইন আপত্তিকর কনটেন্ট নিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত সভা’ শেষে ডাক ও টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম এতথ্য জানান।

তিনি বলেন, ‘তালিকা ও কারিগরি প্রস্তাবনা পাওয়ার পর ইন্টারনেটে পর্নগ্রাফি ও আপত্তিকর কন্টেন্ট বন্ধের প্রক্রিয়া শুরু হবে।’এই কমিটি একটি তাৎক্ষণিক প্রস্তাবনা, মধ্যবর্তী প্রস্তাবনা এবং চূড়ান্ত প্রস্তাবনা দেবে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী। ইন্টারনেটে পর্নগ্রাফি ও আপত্তিকর কন্টেট বন্ধে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরসির এক মহাপরিচালককে আহ্বায়ক করে এই কমিটিতে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ, তথ্য মন্ত্রণালয়, ন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন মনিটরিং সেন্টার (এনটিএমসি), ইন্টারনেট সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান, মোবাইল অপারেটরসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতিনিধিরা থাকছেন।
শুধু তালিকা ধরে নয়, ইন্টারনেটে পর্নগ্রাফি বন্ধের প্রক্রিয়া চলমান থাকবে বলে জানান তারানা হালিম। এই পদক্ষেপ নেওয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, ‘ইন্টারনেটে পর্নগ্রাফি ও আপত্তিকর কন্টেন্টের সহজলভ্যতা অপ্রাপ্তবয়স্কসহ সকল নাগরিকের উপর বিরুপ সামাজিক প্রভাব সৃষ্টি করছে।’
বিটিআরসির হিসাবে গত আগস্ট শেষ নাগাদ দেশে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা ৬ কোটি ২২ লাখের বেশি। এর মধ্যে ৫ কোটি ৮৩ লাখের বেশি মোবাইল ফোনে ইন্টারনেট ব্যবহার করে থাকেন।
আপত্তিকর ওয়েবসাইট বন্ধ করে দেওয়ার নির্দেশনার পর কোনো ইন্টারনেট সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান বা ইন্টারনেট গেইটওয়ে (আইআইজি) যদি বন্ধ না করে, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও হুঁশিয়ার করেন প্রতিমন্ত্রী।

এ বিভাগের আরও খবর
আপনার মতামত লিখুন :

Your email address will not be published.