রুমি, রান্নাঘর : বিকেলটা গড়ালেই পেটে কেমন একটা টান পড়ে। এই গোধুলী বেলায় মুচ মুচে গরম গরম সমুচা, সিঙ্গারা এসব পেটে না পুরলেই যেন নয়! সমুচা বানানোর সহজ রেসিপি জানা থাকলে রেস্টুরেন্টে গিয়ে কিনে খাওয়ার কি দরকার! আর বাইরের খাবার-দাবার থাকে ভেজালে ভরা, অসাস্থ্যকর। আর বাড়ির সবার স্বাস্থ্যের দিকেও নজর রাখতে হবে। খুব সহজে তৈরি করা যায় আর স্বাদের ভিন্নতা এবং পুষ্টিগুণ, সব মিলিয়ে সমুচা হতে পারে আপনার অবসরের বিকেলের নাশতায় এক চমৎকার এবং ঝটপট রেসিপি। তাই এবার না হয় ঘরেই তৈরি করে ফেলুন মজাদার ‘কিমা সমুচা। তাহলে চলুন জেনে নেই সমুচা বানানোর সহজ রেসিপি।
উপকরন: ১.আটা বা ময়দা,২.পিঁয়াজ,৩.শুকনো টালা মরিচ,৪.মরিচের গুড়া,৫.লবন,৬.তেল,৭.পানি, ৮.চিনি
প্রনালী: পানি গরম করে প্রথমেই রুটির মত কাই ধরে নিন ।এবার কিছু আটা দিয়ে পরোটার মত কাই ধরে পাতলা করে বেলে ছোট করে কেটে কেটে ডুবো তেলে ভেজে নিন (ফুচকার মত হবে )।এবার ১টা প্যানে ১চা চামচ তেল দিয়ে পিঁঁয়াজ কুচি দিন আধা কাপ ।১টু নাড়ুন ।টালা মরিচ ভেঙ্গে গুড়ো করে দিন আর ১টু মরিচের গুড়া আর লবন পরিমানমত দিন । এখোন ফুচকাগুলো ভেঙ্গে গুড়ো করে দিন ।আধা চা চামচ চিনি আর সামান্য পানি দিয়ে ভাল করে নেড়ে নামিয়ে ফেলুন । এরপর চুলা বন্ধ করে দিন । হয়ে গেল পুড় তৈরি ।
এখোন রুটির কাইগুলো মেখে রুটি বেলে ফেলুন ।এরপর রুটি গুলোকে হালকা করে রুটির খোলায় দিয়ে এপিঠ ওপিঠ করে নামিয়ে রাখুন । খেয়াল রাখবেন রুটি যাতে পুরো ভাজা না হয় ।প্রতিটা রুটির মাঝ বরাবর চাকু দিয়ে কেটে নিন । অর্ধেক রুটিটাকে পানের খিলির মত পিচিয়ে সাইডে খোলা অংশটা ১টা বাটিতে গুলানো ঘন আটার পানি একটু নিয়ে লাগিয়ে দিন ।এবার এর ভিতর প্যানে বানিয়ে রাখা পুড়টা অল্প করে ডুকিয়ে মুখটা বন্ধ করে দিন ঐ আটা গুলানো পানি দিয়ে ।এভাবে সবকয়টা বানিয়ে ১টা প্যানে তেল গরম করে ডুবো তেলে ভাজুন । চুলার আচ টা মাঝারি রাখুন । হয়ে গেল মচমচে সমুচা । পুড় হিসেবে এগুলো ব্যবহার না করে মাংসের কিমা না হয় সবজি দিয়ে পুড় তৈরি করে নিতে পারেন
