নবীপ্রেমে ও আদর্শে জীবন গড়তে শিখিয়েছেন গাউছুল আজম (রাঃ)
নিজস্ব প্রতিবেদক : প্রিয়নবী (দঃ) এর প্রতি প্রেম-ভালোবাসায় নিজেকে উজাড় করে নবীর সকল সুন্নাতকে ধারণ ও নবীর আদর্শে জীবন গড়ে কীভাবে প্রিয়নবীর সন্তুষ্টি অর্জন করতে হয় তা মুসলিম মিল্লাত বিশেষত যুব সমাজকে শিখিয়ে গেছেন কাগতিয়া দরবারের প্রতিষ্ঠাতা খলিলুল্লাহ আওলাদে মোস্তফা খলিফায়ে রাসূল হযরত শায়খ ছৈয়্যদ গাউছুল আজম (রাঃ)।
সোমবার (২৬ ডিসেম্বর) চট্টগ্রাম লালদীঘি ময়দানে ঐতিহাসিক গাউছুল আজম কনফারেন্সে লাখো সুন্নি জনতার উদ্দেশ্যে প্রধান অতিথির বক্তব্যে কাগতিয়া আলীয়া গাউছুল আজম দরবার শরীফের মহান মোর্শেদে আওলাদে রাসূল হযরতুলহাজ্ব আল্লামা অধ্যক্ষ শায়খ ছৈয়্যদ মুহাম্মদ মুনির উল্লাহ্ আহমদী মাদ্দাজিল্লুহুল আলী একথা বলেন।
জশ্নে জুলুছে ঈদে মিলাদুন্নবী (দঃ) উপলক্ষে এ কনফারেন্সের আয়োজন করে মুনিরীয়া যুব তবলীগ কমিটি বাংলাদেশ।
তিনি আরও বলেন, গাউছুল আজম (রাঃ) সারা জীবন পাপীকে নয়, পাপকে ঘৃণা কর – এ দর্শনে পথভ্রষ্ট যুবকদের মাঝে বিলিয়েছেন নূরে মুহাম্মদীর রওশনে কোরআন-সুন্নাহ্র আলোকে জীবন গড়ার প্রেরণাশক্তি। ইসলামের খেদমতে ও শিক্ষার প্রসারে নির্মাণ করেছেন দেশ-বিদেশে বহু মসজিদ, মাদ্রাসা ও পাঠাগার। শেষ জীবনে এসে এ মহান ব্যক্তি নিজের সঞ্চিত সব অর্থ নবীর ঘর কাগতিয়া কামিল এম.এ. মাদ্রাসায় দান করার মধ্যে দিয়ে গভীর রাসূলপ্রেম ও ইসলামী শিক্ষার প্রচার-প্রসারে যে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন তা ইতিহাসে বিরল।
কনফারেন্সে বিশেষ অতিথি ছিলেন বংলাদেশ জমিয়াতুল মোদারের্ছীনের মহাসচিব অধ্যক্ষ আল্লা¬মা শাব্বির আহমদ মোমতাজী, রাউজান উপজেলা চেয়ারম্যান এহছানুল হায়দর চৌধুরী বাবুল, এলবিয়ন গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. মুনতাহার উদ্দিন সাকিব।
কনফারেন্সে প্রধান আলোচক ছিলেন সংগঠনের মহাসচিব অধ্যাপক মোহাম্মদ ফোরকান মিয়া।
আল্লামা অধ্যক্ষ ছৈয়্যদ মুহাম্মদ মুনির উল্লাহ আহমদী যুব সমাজের উদ্দেশ্যে বলেন, গাউছুল আজম (রাঃ) এর দৈনন্দিন জীবন-কর্ম, তরিক্বত, আদর্শ ও দর্শন অনুসরণ-অনুকরণ করলে একজন সাধারণ যুবক-যুবতী, শিক্ষার্থীর জীবন সততা, সৎচিন্তা-চেতনা ও সাফল্যে ভরে ওঠবে। তারা কোরআন-সুন্নাহ্র দিকে ধাবিত হবে। যার ফলে উপকৃত হবে তাদের মা-বাবা, পরিবার থেকে শুরু করে গোটা সমাজ।
এতে বক্তব্য রাখেন আল্লামা মুফতি মুহাম্মদ ইব্রাহীম হানফি, আল্লামা মুফতি আনোয়ারুল আলম ছিদ্দিকি, আল্লামা মোহাম্মদ আশেকুর রহমান, আল্লামা এমদাদুল হক মুনিরী, মাওলানা সেকান্দর আলী ও মাওলানা মুহাম্মদ ফোরকান।
কনফারেন্সে দেশবরেণ্য বহু ওলামায়ে কেরাম, শিক্ষাবিদ, সাংবাদিক ছাড়াও সর্বস্তরের লাখো সুন্নি জনতা উপস্থিত ছিলেন। মিলাদ ও কিয়াম শেষে প্রধান অতিথি দেশ, জাতি ও বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর ঐক্য, সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করে বিশেষ মুনাজাত করেন।
