চন্দনাইশে পরীক্ষার ১ম দিনে অনুপস্থিত ১০ শিক্ষার্থী
এস কফিল, চন্দনাইশ: সারাদেশের অন্যান্য স্থানের মত চন্দনাইশেও এসএসসি, এসএসসি (বিএম/ভোকেশনাল) ও দাখিল পরীক্ষা শুরু হয়েছে বৃহস্পতিবার (২ ফেব্রুয়ারি) । মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড-চট্টগ্রাম এর অধীনে ৪টি কেন্দ্রে ২৭টি বিদ্যালয়ের প্রায় তিন হাজার সাড়ে সাতশত জন শিক্ষার্থী এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে। বাংলাদেশ মাদরাসা শিক্ষা বোর্ড-ঢাকা এর অধীনে একটি কেন্দ্রে ১৭টি মাদরাসা ৭৩৩ জন পরীক্ষার্থী দাখিল পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে।
বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড-ঢাকা এর অধীনে একমাত্র কেন্দ্রে ১টি বিদ্যালয়ের ৭০ জন শিক্ষার্থী এসএসসি (বিএম/ ভোকেশনাল) পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে। এছাড়াও জানা যায়, আগামী কিছুদিন পর বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়-গাজীপুর এর অধীনে অনুষ্ঠেয় এসএসসি পরীক্ষায় প্রতিবেশী উপজেলার পটিয়া আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে প্রায় শতাধিক অংশ নিবে।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ লুৎফুর রহমান জানান, প্রশাসন বা কর্তৃপক্ষের নজরদারীতে বিধিঅনুযায়ী যথাসময়ে সুষ্ঠু ও সুশৃংখলভাবে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে । এ জন্য প্রয়োজনীয় সকল প্রস্তুতিও গ্রহণ করা হয়েছিল।
কেন্দ্র সচিবদের প্রদত্ত তথ্যমতে জানা যায়,- প্রথম দিন ২ ফেব্রুয়ারি বিষুদবার চট্টগ্রাম বোর্ড‘র অধীনে ৪টি কেন্দ্রে বাংলা ১ম পত্র বিষয়ে এসএসসি পরীক্ষায় ২৭ টি বিদ্যালয়ের পরীক্ষার্থী ছিল ২৮৬২জন, তন্মধ্যে অনুপস্থিত ৯জন। কেন্দ্রগুলো হলো- চন্দনাইশ-১: গাছবাড়ীয়া নিত্যানন্দ গৌরচন্দ্র মাধ্যমিক বিদ্যালয়। কেন্দ্র চন্দনাইশ-২: চন্দনাইশ ফাতেমা জিন্নাহ্ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও এর ভেন্যু-২ বা উপকেন্দ্র- চন্দনাইশ কে এম উচ্চ বিদ্যালয়, সচিব-বিষ্ণুযশা চক্রবর্ত্তী। চন্দনাইশ-৩: দোহাজারী এআর উচ্চ বিদ্যালয়, সচিব- জাফর আহমদ। চন্দনাইশ-৪: সাতবাড়িয়া বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়, সচিব- নুরুল ইসলাম শরীফ।
চন্দনাইশ দাখিল পরীক্ষা কেন্দ্রে প্রথমদিনে পরীক্ষার্থী ছিল ৪১৪জন ছাত্রীসহ মোট ৬৭৪ জন, তন্মধ্যে অনুপস্থিত ১জন। কেন্দ্র বা ভেন্যু- চন্দনাইশ সদরস্থ জোয়ারা ফাযিল মাদরাসা, সচিব- অধ্যক্ষ মাওলানা আমিনুর রহমান। কারিগরি বোর্ডের এসএসসি (বিএম/ভোকেশনাল) পরীক্ষা কেন্দ্র, চন্দনাইশ: পরীক্ষার্থী ৭০জন, প্রথমদিনে সকলেই উপস্থিত ছিল। কেন্দ্র বা ভেন্যু- দোহাজারী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি স্কুল এন্ড কলেজ, ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা/সচিব- অধ্যক্ষ আবদুল মোমিন। চন্দনাইশ শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ও বরমা ত্রাহিমেনকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এ এইচ এম সৈয়দ হোসেন জানান, সৃজনশীল পদ্ধতি ও শিক্ষার্থীরা বইমুখী হওয়ায় নকল কমেছে।
