‘এক চীন’ নীতিকে সমর্থন করেন ট্রাম্প

0

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:: চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংকে টেলিফোন করে ‘এক চীন’ নীতিকে সমর্থন জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। শুক্রবার হোয়াইট হাউসের বরাত দিয়ে বিবিসি এ খবর জানায়।

 

হোয়াইট হাউস জানায়, বৃহস্পতিবার রাতে দুই নেতা দীর্ঘক্ষণ টেলিফোন আলাপ করেন। এসময় তারা গঠনমূলক সম্পর্কোন্নয়নসহ বৃহদাকারে বিভিন্ন ইস্যু নিয়ে একযোগে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেন।

 

বিবৃতিতে তাদের এ ফোনালাপকে ‘অত্যন্ত আন্তরিকতাপূর্ণ’ বলে বর্ণনা করে বলা হয়, দুই নেতা পরস্পরকে সফরের জন্য আমন্ত্রণ জানিয়েছেন।

 

এর আগে, বৃহস্পতিবারই শি জিনপিংকে ধন্যবাদ জানিয়ে একটি চিঠি লেখেন ট্রাম্প। তাইওয়ানকে নিয়ে দেয়া বক্তব্যে বেইজিংয়ের ক্ষুব্ধ হওয়া এবং ট্রাম্পের দায়িত্ব গ্রহণকে অভিনন্দন জানিয়ে শি জিনপিং বার্তা পাঠানোর প্রেক্ষিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট এ চিঠি পাঠান।

 

এক বিবৃতিতে মুখপাত্র সিয়ান স্পিসার বলেন, ট্রাম্প তার চিঠিতে চীনের সাথে গঠনমূলক সম্পর্কোন্নয়নে দেশটির প্রেসিডেন্টের সঙ্গে কাজ করার আগ্রহের কথা জানান। কারণ সম্পর্কোন্নয়নে উভয় দেশই লাভবান হবে বলে ট্রাম্প তার চিঠিতে উল্লেখ করেন।

 

উল্লেখ্য, নভেম্বরে যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনে জয়ী হওয়ার পরপরই তাইওয়ানের প্রেসিডেন্ট তিসাই ইং-ওয়েন অভিনন্দন জানিয়ে ট্রাম্পকে ফোন করেন। এ সময় ট্রাম্প এক চীন নীতির সমালোচনা এবং তাইওয়ানের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের নীতি পরিবর্তনের আভাস দেন। চীনের এক নীতিকে সমর্থন জানানোটা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য জরুরি নয় বলেও মন্তব্য করেন ট্রাম্প। এতে ক্ষুব্ধ হয় চীন।

 

তাইওয়ান আলাদা সার্বভৌম কোনো রাষ্ট্র নয়, বরং চীনেরই একটি অংশ- এই চীনা রীতিকে গত কয়েক দশক ধরে সমর্থন জানিয়ে আসছে যুক্তরাষ্ট্র। ১৯৭৯ সালে তাইওয়ানের সাথে আনুষ্ঠানিকভাবে কুটনৈতিক সম্পর্কও ছিন্ন করে দেশটি। তবে একইসঙ্গে তাইওয়ান রিলেশন্স অ্যাক্টের আওতায় এ দ্বীপ রাষ্ট্রের প্রতি রহস্যজনক দৃষ্টিভঙ্গি বজায় রেখে বাণিজ্যিক সম্পর্ক ধরে রেখেছে এবং তাদের কাছে অস্ত্র বিক্রি করছে যুক্তরাষ্ট্র। সূত্র: বিবিসি ও আলজাজিরা

এ বিভাগের আরও খবর
আপনার মতামত লিখুন :

Your email address will not be published.