শাহজাহান চৌধুরী শাহীন,কক্সবাজার : ইন্টার্ন পরিষদের নেতারা বলেছেন, আমরাই থাকব হাসপাতালে, তাই ডাক্তার বাঁচলে বাঁচবে রোগী। সারাদেশে সাথে একাত্মতা ঘোষনা করে কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালে ইন্টার্নিরা কর্মবিরতি পালন ও অবস্থান ধর্মঘট কালে নেতারা এ কথা বলেন।
বগুড়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে চারজন ইন্টার্ন ডাক্তারকে তাঁদের ট্রেনিং থেকে অন্যায়ভাবে বহিষ্কার করার প্রতিবাদে রবিবার(৫ মার্চ) কর্মবিরতি ও অবস্থা ধর্মঘট পালন করা হয়।
জানা যায়, নারী সহকর্মীকে ইভিটিজিং করার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করায় বগুড়া মেডিকেল কলেজের চার ইন্টার্ন চিকিৎসককে ছয় মাসের জন্য ইন্টার্নশিপ স্থগিতাদেশ দেয়া হয়। ইন্টার্নিদের এই অন্যায় স্থগিতাদেশের প্রতিবাদে এবং সর্বস্তরের চিকিৎসকদের নিরাপত্তার স্বার্থে সকল দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত সম্মিলিত ইন্টার্ন চিকিৎসক পরিষদের কর্মবিরতির ঘোষণা দেয়। ঘোষনা অনুযায়ী শনিবার হতে কক্সবাজারেও লাগাতার কর্মবিরতি ও অবস্থান ধর্মঘটের ডাক দেয়া হয়।
কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালে ইন্টার্ন চিকিৎসক পরিষদের ডাকে কর্মবিরতির পাশাপাশি দুপুর ১টা থেকে স্বতঃস্ফুর্ত অবস্থান ধর্মঘট পালন করা হয়। সেখানে ইন্টার্নদের বিভিন্ন ন্যার্য দাবিতে পরিষদের নেতারা কথা বলেন এবং দ্রুত স্বাস্থ্যমন্ত্রীর অনৈতিক স্থগিতাদেশ প্রত্যাহারের জন্য প্রধানমন্ত্রী বরাবর দাবি জানানো হয়।
কক্সবাজার মেডিকেল কলেজের ইন্টার্ন চিকিৎসক পরিষদের সভাপতি ডাঃ আরিফ বলেন, ইন্টার্নরা হাসপাতালের প্রাণ। বগুড়া মেডিকেলে যা ঘটেছে,তা আমার হাসপাতালেও হতে পারত। হয়ত আজ হয়নি, কিন্তু হতে কতদিন। তাই বগুড়া মেডিকেলের চার ইন্টার্ন চিকিৎসকের স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার ও চিকিৎসকদের নিরাপদ কর্মসংস্থান এর দাবিতে আমাদের যৌক্তিক সমর্থন। রোগীর জন্য আমরাই থাকব হাসপাতালে, তাই ডাক্তার বাঁচলে বাঁচবে রোগী।
কর্মবিরতি ও ধর্মঘটরত ইন্টার্ন পরিষদের নেতারা বক্তব্যে আরো বলেন, যতক্ষণ পর্যন্ত এই অন্যায় স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার করে সুষ্ঠু সমাধান করা হবে না, ততদিন পর্যন্ত তাদের কর্মবিরতিও অব্যাহত থাকবে। এ সময় পরিষদের নেতাদের মাঝে সভাপতি ডা:আরিফ, সাধারণ সম্পাদক ডা: রবিন, সিনিয়র সহ-সভাপতি রাজীব দাশ, রোগী কল্যান সম্পাদিকা ডাঃ মৌরী বক্ততা করেন।
