বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রায় পাহাড়ে শুরু বৈসাবি’র উৎসব

0

মো: সাইফুল উদ্দীন, রাঙামাটি::রাঙামাটিতে বাংলা নববর্ষ, বিজু, সাংগ্রাই, বৈসুক ও বিষু উপলক্ষে রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ ও ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউট এর যৌথ আয়োজনে বর্ণাঢ্য র‌্যালি, আলোচনা সভা, মেলা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিকেলে রাঙামাটি সরকারি কলেজ প্রাঙ্গণ থেকে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা শুরু করে রাঙামাটির প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউট প্রাঙ্গণে গিয়ে শেষ হয়। এরপরে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউট প্রাঙ্গণে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়।

রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বৃষ কেতু চাকমার সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন চাকমা সার্কেল চিফ ব্যারিস্টার দেবাশীষ রায়। অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন ব্রিগেড কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. গোলাম ফারুক, হেডম্যান এসোসিয়েশনের সভাপতি চিং কিউ রোয়াজা, জেলা পরিষদের সদস্য যথাক্রমে হাজি মো. মুছা মাতব্বর, অংসুই প্রু চৌধুরী, স্মৃতি বিকাশ ত্রিপুরা, সান্তনা চাকমা, চাঁদমনি তঞ্চঙ্গ্যা, ত্রিদীব কান্তি দাশ, ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর ভারপ্রাপ্ত পরিচালক রুনেল চাকমা।বক্তারা বলেন, বিজু সবার মনে সকল দুঃখ, কষ্ট, বেদনা ভুলিয়ে দিয়ে আনন্দ বয়ে আনুক এটাই আমাদের প্রত্যাশা।

বক্তারা বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামে বিভিন্ন জাতির বসবাস আমাদের এই বিজুতে প্রত্যশা থাকবে আমরা সবাই মিলেমিশে এখানে বসবাস করবো। এসব সংস্কৃতি গবেষণার মাধ্যমে পাহাড়ি ও বাঙালির যেসব ঐতিহ্য, কৃষ্টি রয়েছে তা শেকড়ে যাওয়া সম্ভব হবে। এই উৎসব শুধু মাত্র পার্বত্য এলাকা নয় সারা বিশ্বে যেখানে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠিরা বসবাস করে সবার থেকে করা প্রয়োজন।

আলোচনা সভার শেষে পার্বত্য চট্টগ্রামের শিল্পীদের পরিবেশনায় বিভিন্ন জাতির নিজস্ব সাংস্কৃতিক গান ও নৃত্য পরিবেশন করা হয়। এতে তিন দিনব্যাপী মেলা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশন করা হবে।

এ বিভাগের আরও খবর
আপনার মতামত লিখুন :

Your email address will not be published.