সিটিনিউজ ডেস্ক::রবিবার সকাল থেকে সুনামগঞ্জের তাহিরপুরে মূষলধারে বৃষ্টি হচ্ছে। সেই সাথে বাড়ছে ভারত মেঘালয় পাহাড় ঘেষে প্রবাহিত যাদুকাটা নদীর পানি। মধ্যরাত হতে যাদুকাটাসহ সীমান্তের অন্যান্য ছোট নদী দিয়ে প্রবাহিত পাহাড়ী ঢলে শনির হাওরের লালুর গোয়ালা বাঁধ ভেঙে পানি প্রবেশ করতে থাকে।
এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত ১০০ হাত পরিমান বাঁধ ভেঙে ৪০ শতাংশ হাওর পানির নিচে তলিয়ে গেছে। সেই সাথে হাওরবাসীর শেষ সম্বল আরো প্রায় ১০ হাজার হেক্টর জমি পানির নিচে তলিয়ে গেছে।
জানা গেছে, বাঁধ ভাঙার আশঙ্কায় শনিবার সন্ধ্যা থেকেই উপজেলা চেয়ারম্যান কামরুজ্জামান কামরুলের নেতৃত্বে জেলা প্রশাসকের দেয়া বস্থাদ্বারা দুর্বল স্থানগুলো মেরামত করতে শুরু করেন কিন্ত আখম্মক খালী বাঁধ দিয়ে মধ্যরাত হতে পানি উপচে তাহিরপুরের একমাত্র শেষ ভরসা শনির হাওরে প্রবশে করতে থাকে অন্যদিকে লালুর গোয়ালা বাঁধ ভেঙে তীব্র গতিতে পানি প্রবেশ করায় ক্রমান্বয়ে তলিয়ে যাচ্ছে কৃষকের প্রায় ১০ হাজার হেক্টর ফসল সেই সাথে টানা ২৫ দিনের স্বেচ্ছা শ্রম নষ্ট হয় হাওরবাসীর। তাহিরপুর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান কামরুজ্জামান কামরুলের সাথে কথা বলতে গেলে ডুকরে কেদেঁ উঠেন। তিনি কথা বলার মতো অবস্থায় নেই বলে জানান।
এ বিভাগের আরও খবর
