নিজস্ব প্রতিবেদক::জলাবদ্ধতার অভিশাপ থেকে আগ্রাবাদ ও হালিশহরবাসীকে বাঁচাতে অবিলম্বে মহেশখালের পরিকল্পিত খনন ও মহেশখালের প্রবেশ মূখ সল্টগোলায় পাম্পহাউসসহ স্লুইসগেট নির্মানের জোর দাবী জানান চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি আলহাজ্ব খোরশেদ আলম সুজন।
তিনি বলেন, আগ্রাবাদ হালিশহর এলাকা বন্দর সংযুক্ত। বন্দরের সঠিক অপারেশনে এই এলাকাসমূহের নিরবিচ্ছিন্ন যোগাযোগের উপর নির্ভরশীল। তাই এই এলাকাসমূহকে সচল রাখা বন্দরের দায়িত্ব অনেক বেশী। আমাদের বাপদাদার সহায় সম্পত্তির ভৌগলিক সুবিধা ব্যবহার করে চট্টগ্রাম বন্দর গড়ে উঠেছে। বন্দরে আজ সম্পদের পাহাড়। সাতভূতে লুটে খায়, পাড়া পড়শীর হিসাব নাই। জনাব সুজন বন্দর সচল রাখতে বন্দর সন্নিহিত এলাকাসমূহের জলাবদ্ধতা নিরসন, সচল যোগাযোগ কাঠামো বিনির্মানে অবদান রাখার আহবান জানান।
জনাব সুজন বর্তমান চট্টগ্রাম-১১ নির্বাচনী এলাকার জনগনের সীমাহীন দুঃখ দুর্দশার জন্য অত্র এলাকার বিগত ২৫ বছরের ইমিটেশন প্রতিনিধিদের দায়ী করে বলেন, বিগত ২৫ বছরে যারা অত্র এলাকার প্রতিনিধিত্ব করেছেন তারা জনগনের নয় নিজেদের সৌভাগ্য, সমৃদ্ধি গড়ার জন্য কাজ করেছেন। যারা জনরায়কে সন্মান করে জনগনের দুঃখ দুর্দশা লাঘব ও পরিকল্পিত উন্নয়নে অবদান রাখেন নাই তারা বিশ্বাসঘাতক। সংসদে যারা চুপ থাকেন, বিজনেস হাউসে যারা সচল থাকেন তাদের আর সুযোগ না দেওয়ার জন্য সুজন আহ্বান জানান।
তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশের বানিজ্যিক রাজধানী আগ্রাবাদকে কোন অবস্থাতেই জোয়ার-ভাটার মুখে ঠেলে দেওয়া যায়না। সমাবেশ শেষে জলাবদ্ধতা থেকে আগ্রাবাদ ও হালিশহরবাসীকে মুক্ত করতে মহেশ খালের পরিকল্পিত খনন করে সল্টগোলায় মহেশখালের প্রবেশ মুখে পাম্প হাউসসহ স্লুইসগেট নির্মানের দাবীতে মোমবাতি প্রজ্জ্বলন করে শত শত মানুষ নীরবে দাড়িয়ে থাকেন।
জলাবদ্ধতা নিরসনে নাগরিক সমাজের উদ্যোগে এবং দক্ষিণ আগ্রাবাদ ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ ইব্রাহিম এর সভাপতিত্বে আগ্রাবাদ এক্সেস রোডস্থ গোল্ডেন টাচ কমিউনিটি সেন্টার সংলগ্ন চত্ত্বরে আজ ৯ জুলাই বিকেলে অনুষ্ঠিত সভায় বক্তব্য রাখেন, সাবেক কাউন্সিলর জাবেদ নজরুল ইসলাম, বন্দর থানা আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক হাজী মোঃ ইলিয়াছ, ৩৮নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হাজী মোঃ হাসান, ৩৭নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মান্নান, আব্দুর রহমান মিয়া, জাফরুল হায়দার সবুজ, মোঃ সালাউদ্দিন, মোঃ শাহ আলম, সাইফুল ইসলাম মানিক, ক্যাপ্টেন মোবারক হোসেন, মোঃ চান্দু, মোঃ রফিক, মোঃ শফি, মোঃ আলম, হাজী হোসেন কোম্পানী, মোঃ নুরুল কবির, মোরশেদ আলম, রেজাউল করিম খন্দকার বুলবুল, শের খাঁন, কামরুল হোসেন, সরওয়ার জাহান চৌধুরী, হাজী হাবিব শরীফ, হাফেজ মোঃ ওকার উদ্দিন, আব্দুস সালাম মাসুম, এনামুল হক মিলন, এ এস এম জাহিদ হোসেন, আজিজুর রহমান আজিজ, সমীর মহাজন লিটন, সৈয়দ মুনির, আলম মাহবুব, নাজিম উদ্দিন, মোঃ ওয়াসিম, ইমরান আহমেদ ইমু প্রমূখ।
