সিটিনিউজবিডি : চট্টগ্রামের সব উপজেলার কোথাও কোথাও পরিস্থিতির সামান্য উন্নতি হলেও অধিকাংশ নিম্নাঞ্চলে অবনতি হয়েছে। এক সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে টানা বর্ষণের পর শনিবার (০১ আগস্ট) সকাল থেকে বৃষ্টি কিছুটা কমেছে। বেড়েছে পাহাড়ি ঢল। নদনদী, খালে এখনও স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি উচ্চতায় পানি প্রবাহিত হচ্ছে। পানিবন্দি জনপদে ফসলি জমি এবং বীজতলা নষ্ট হয়ে যাওয়ায় কৃষকের মাথায় হাত পড়েছে। রাস্তাঘাটসহ গ্রামীণ অবকাঠামোরও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
স্থানীয় প্রশাসন আশংকা করছে বৃষ্টি আবারও শুরু হলে পরিস্থিতি ভয়াবহ রূপ নেবে । এদিকে পানিবন্দি লক্ষ লক্ষ মানুষের অসহায় অবস্থায় দিনযাপন করছেন। বানভাসি মানুষের রাত কাটছে সাইক্লোন সেন্টারগুলোতে। সরকারিভাবে কিছু ত্রাণ দেয়া হলেও সেগুলো চাহিদার তুলনায় অপ্রতুল। জরুরি ভিত্তিতে আরও ত্রাণ দেয়ার জন্য স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে জেলা প্রশাসনের কাছে চিঠি দেয়া হয়েছে। 
আবহাওয়া দপ্তরের পতেঙ্গা কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, শুক্রবার সকাল ৯টা পর্যন্ত আগের ২৪ ঘণ্টায় চট্টগ্রামে ১৫০ দশমিক ৮ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। গত আটদিনে চট্টগ্রামে ১০১৬ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।
আবহাওয়া দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, শনিবার সকাল ৭টা ৪২ মিনিটে জোয়ার শুরু হয়েছে। ভাটা শুরু হবে দুপুর ১টা ১২ মিনিটে। রাত ৮টা ১৮ মিনিটে জোয়ার পুনরায় শুরু হবে।
স্থানীয় প্রশাসনের কাছ থেকে পাওয়া তথ্যমতে, বৃষ্টি কমলেও চট্টগ্রামের চন্দনাইশ,সাতকানিয়া, লোহাগাড়া, বাঁশখালী, পটিয়া, হাটহাজারীতে পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। বোয়ালখালী ও রাউজানে পরিস্থিতির সামান্য উন্নতি হয়েছে। তবে সেখানেও ফসল, বীজতলা পানির নিচে আছে।
