বাংলাদেশ-ভারতের বৈঠক কাল

0

সিটিনিউজবিডি : সীমান্তের বিভিন্ন সমস্যা সমাধান করতে বাংলাদেশ-ভারত দুই দেশের সীমান্ত রক্ষায় নিয়োজিত বাহিনীর মধ্যে ৬ দিনব্যাপী বৈঠক শুরু হবে সোমবার দিল্লিতে। ওই বৈঠকে সীমান্তে চোরাচালান ও জাল নোট প্রতিরোধের বিষয়টি গুরুত্ব পাবে। বৈঠকে যোগ দিতে বাংলাদেশের ২০ সদস্যের প্রতিনিধি দল আজ ঢাকা ছাড়বেন।

বৈঠকে সীমান্তে চোরাচালান ও জাল নোট প্রতিরোধের পাশাপাশি মানবপাচার, গরুপাচার, সন্ত্রাসী কার্যক্রম প্রতিরোধ, সীমান্তে হত্যাকাণ্ডসহ সীমান্তের সার্বিক বিষয়ে দুই দেশের মধ্যে আলোচনা হবে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

বাংলাদেশের ২০ সদস্যের প্রতিনিধি দলের পক্ষে বিজিবি (বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ) প্রধান মেজর জেনারেল আজিজ আহমেদ এবং ভারতের পক্ষে বিএসএফের (দ্য বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্স অব ইন্ডিয়া) ডিকে পাঠক বৈঠকে নেতৃত্ব দেবেন।

একাধিক কূটনৈতিক সূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশকে ব্যবহার করে পাকিস্তানের কতিপয় সন্ত্রাসী গ্রুপ ভারতের নোট জাল করছে। এ বিষয়ে বাংলাদেশ-ভারত উভয়ের কাছে পর্যাপ্ত তথ্য প্রমাণ রয়েছে। সামনের সীমান্ত সংশ্লিষ্ট বৈঠকে এ বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে আলোচনা করে সমাধানের পথ বের করা হবে। পাশাপাশি ওই বৈঠকের তথ্য নিয়ে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফের সঙ্গে আলাপ করবেন। সামনে ভারত ও পাকিস্তান উভয় দেশের রাষ্ট্র প্রধান রাশিয়াতে একটি সম্মেলনে যোগ দেবেন। ওই সম্মেলনের ফাঁকে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফের সঙ্গে জাল নোট প্রতিরোধ নিয়ে আলাপ করবেন।

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফ গত জুনে ঢাকা সফরের সময় বাংলাদেশের সঙ্গে যে কয়টি চুক্তি ও সমঝোতাস্মারক স্বাক্ষর করেন তার মধ্যে জাল নোট পাচার প্রতিরোধ ছিল অন্যতম। এ ছাড়া ওই সফরে দুই প্রধানমন্ত্রী ৬৪টি যৌথ ঘোষণায় স্বাক্ষর করেন। ওই ঘোষণার ১৭ নম্বর দফায় সীমান্ত নিয়ে বলা হয়েছে, ‘উভয় প্রধানমন্ত্রী সীমান্তে অপরাধ মোকাবিলায় যৌথ সীমান্ত ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনার (সিবিএমপি) কার্যকর বাস্তবায়নের ওপর জোর দেন। সীমান্তকে অপরাধমুক্ত করার ব্যাপারে তারা সম্মত হন। সীমান্তে মৃত্যুর সংখ্যা অবশ্যই শূন্যে নামিয়ে আনার কথা পুনর্ব্যক্ত করে তারা এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দেন। উভয় প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশ সীমান্তরক্ষী বাহিনীর চৌকি নির্মাণ ও ব্যবস্থাপনায় ভারতের সীমান্ত সড়ক ব্যবহার ও দুর্গম সীমান্ত এলাকাগুলোতে বাংলাদেশী সীমান্তরক্ষীদের প্রয়োজনে ভারতে চিকিৎসাসেবা নেওয়ার ‘স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিউরস (এসওইপি)’ চূড়ান্ত হওয়ায় সন্তোষ প্রকাশ করেন।

এ বিভাগের আরও খবর
আপনার মতামত লিখুন :

Your email address will not be published.