আনোয়ারায় নদী ভাঙ্গন কবলিত এলাকার বাসিন্দারা ফুঁসে উঠেছে

0

জাহেদুল হক,আনোয়ারা,সিটিনিউজ : আনোয়ারা উপজেলার জুঁইদন্ডী ও বরুমছড়া ইউনিয়নে প্রতিদিন শঙ্খনদের ভাঙ্গনের শিকার হচ্ছে নদী তীরবর্তী মানুষ। শঙ্খের অব্যাহত ভাঙ্গনে শতাধিক পরিবারের ঘরবাড়ি ও ফসলি জমি নদী গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। গত কয়েকদিনের ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে আবারও খুরুস্কুল গোদারপাড় স্লুইচ গেইট সংলগ্ন বাঁধের বিশাল অংশ ভেঙ্গে যায়। এতে করে জোয়ারের পানি উঠানামায় প্রতিদিন বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হচ্ছে। এছাড়া উপজেলা সদর ও শহরের সঙ্গে যোগাযোগের একমাত্র মাধ্যম মোহছেন আউলিয়া সড়কটিও নদীতে তলিয়ে যাওয়ার উপক্রম দেখা দিয়েছে। আর এ কারণে চরম ভোগান্তিতে পড়েছে ইউনিয়ন দুটির মানুষ।

ভাঙ্গন অব্যাহত থাকলেও পানি উন্নয়ন বোর্ডের ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান ইউনুছ এন্ড ব্রাদার্স কাজ পেয়ে এখনো পর্যন্ত ভাঙ্গন প্রতিরোধে কোন ব্যবস্থা নেয়নি। যার কারণে ভাঙ্গন কবলিত এলাকার বাসিন্দারা ফুঁসে উঠেছে। এলাকাবাসির অভিযোগ,৫১০ মিটার এলাকার ভাঙ্গন ঠেকাতে পাউবো ৮ কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়েছে। সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারের অবহেলায় ভাঙ্গন আরো তীব্র হয়ে কয়েকশ একর ফসলি জমি পানিতে ভাসছে। শনিবার(২৯ জুলাই) দুপুরে আনোয়ারা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান তৌহিদুল হক চৌধুরী ভাঙ্গন এলাকা পরিদর্শন করেন। এ সময় বরুমছড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শাহাদত হোসেন চৌধুরীসহ সরকার দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

বরুমছড়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শাহাদত হোসেন চৌধুরী বলেন,জরুরী ভিত্তিতে ভাঙ্গন প্রতিরোধে ব্যবস্থা করা না হলে নতুন করে আরো অনেক ঘরবাড়ি বিলীনসহ যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যাবে। পরিদর্শনকালে উপজেলা চেয়ারম্যান তৌহিদুল হক চৌধুরী জানান,নদী ভাঙ্গনের ফলে দুই ইউনিয়নের বাসিন্দাদের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। ঠিকাদারের গাফিলতির কারণে এলাকাবাসির চরম ক্ষতি হয়েছে। এ ব্যাপারে পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তাকে বলা হয়েছে। যাতে করে গোদারপাড় এলাকার ভাঙ্গন প্রতিরোধের কাজ দ্রুত শুরু করা যায়।

এ বিভাগের আরও খবর
আপনার মতামত লিখুন :

Your email address will not be published.