নিজস্ব প্রতিবেদক:: জেল হত্যা দিবসের আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের পরাজিত শত্রুরা এ দেশের স্বাধীনতাকে মেনে নিতে পারেনি। পরাজয়ের প্রতিশোধ নিতে স্বাধীনতা বিরোধী দেশি-বিদেশি চক্র জাতির পিতাকে হত্যা করে। এরপর খুনি মোশতাকের নেতৃত্বে স্বাধীনতা বিরোধী ওই চক্র এ দেশকে পাকিস্তান বানানোর ষড়যন্ত্রে মেতে ওঠে। বাংলাদেশ যাতে এগিয়ে যেতে না পারে, স্বাধীনতা যাতে ব্যর্থ হয়, স্বাধীন বাংলাদেশ যাতে ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিণত হয় সেই চক্রান্ত করে স্বাধীনতা বিরোধী চক্র। এদেশে যেন কোনদিন স্বাধীনতার সপক্ষের শক্তি মাথা তুলে দাঁড়াতে না পারে সেই ষড়যন্ত্র থেকেই নিরাপদ স্থান জেলখানার অভ্যন্তরে এই হত্যাকাণ্ড তারা সংগঠিত করে।
শনিবার (৪ নভেম্বর) ১৪নং লালখান বাজার ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের উদ্যোগে জেল হত্যা দিবসের আলোচনা সভায় বক্তারা এ কথা বলেন।
লালখান বাজার ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক দিদারুল আলম মাসুমের সঞ্চালনায় এবং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি আলহাজ্ব ছিদ্দিক আহম্মেদের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা ও জাতীয় শ্রমিক লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জনাব সফর আলী।
এই ধারাবাহিকতায় ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট আওয়ামী লীগের সমাবেশে গ্রেনেড হামলা চালিয়ে আমাকে হত্যা করতে চেয়েছিল। আমাদের নেত্রী আইভি রহমানসহ ২২ নেতাকর্মীকে হত্যা করেছে। যুদ্ধাপরাধীদের বিচার বাধাগ্রস্ত করতে এবং উন্নয়ন বিঘ্নিত করতে প্রতিক্রিয়াশীল চক্র সন্ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করার গভীর ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে বলেও বক্তারা বলেন। বক্তারা এই অপশক্তির দেশবিরোধী চক্রান্ত নস্যাৎ করতে সকলকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।
১৯৭৫ সালের ৩রা নভেম্বর ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার সেলে তৎকালীন সেনা অভ্যুত্থানের মাধ্যমে জাতীয় চার নেতাকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়।
বাংলাদেশের স্বাধীনতার ইতিহাসে অবিস্মরণীয় অবদানের অন্যতম ব্যক্তিত্ব জাতীয় চার নেতার স্মরণে জেল হত্যা দিবসের আলোচনা সভা ৪ঠা নভেম্বর নগরীর ইস্পাহানী মোড়ে অনুষ্ঠিত হয়।
মহানগর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক নোমান আল মাহমুদ, ১৪ নং লালখান বাজার ওয়ার্ড কাউন্সিলর এ.এফ. কবির আহমেদ মানিক, ৩১ নং আলকরণ ওয়ার্ড কাউন্সিলর তারেক সোলায়মান সেলিম, রেলওয়ে শ্রমিক লীগের কেন্দ্রীয় প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম সিরাজ, খুলশী থানার আওয়ামী লীগের যুগ্ম আহবায়ক মমিনুল হক, লালখান বাজার ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবছার উদ্দিন সেলিম, দেওয়ানবাজার ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আবু তৈয়ব ছিদ্দিকী, বাকলিয়া ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাসুদ করিম টিটু, মহানগর ছাত্রলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক সাইফুদ্দিন আহমেদ, সিটি কলেজ ছাত্রসংসদের সাবেক ভিপি নাজমুল বরাত রনি, ১৪ নং লালখান বাজার ওয়ার্ড আওয়ামীলীগ নেতা এডভোকেট আব্দুল্লাহ আহসান পিকু (এপিপি), এনামুল হক বকুল, আনিসুর রহমান, সিটি কলেজ ছাত্রসংসদের সাবেক ছাত্রমিলনায়তন সম্পাদক আজমল হোসেন হিরু, রেলওয়ে শ্রমিক লীগ নেতা সাজ্জাদ হোসেন, সিটি কলেজ ছাত্র সংসদের সাবেক এজিএস মাঈনুল হাসান লিপু, কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সম্পাদক ইয়াছিন আরাফাত, আব্দুল্লাহ আল মামুন, মহানগর স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেতা এম.এ. নেওয়াজ, কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সদস্য সনেট চক্রবর্ত্তী, মহানগর ছাত্রলীগের সদস্য রিদওয়ানুল কবির সজীব, আসাদুজ্জামান জেবিন, ওয়ার্ড স্বেচ্চাসেবকলীগ নেতা ওয়াসিম উদ্দিন, ওয়ার্ড যুবলীগ নেতা জাকির হোসেন, শাহাদাত হোসেন, ওয়ার্ড ছাত্রলীগ নেতা আবু ওমর মোহাম্মদ শরফরাজ, মাঈনুল হাসান সাকিব, দ্বীন ইসলাম, ফয়সাল আহমেদ প্রমুখ।
