সরকার ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান রক্ষনাবেক্ষণের কর্মসূচী বাস্তবায়ন করছে
চট্টগ্রাম : বিশিষ্ট সমাজসেবক ফরিদ মাহমুদ বলেছেন, সকল ধর্মীয় সম্প্রদায়ের সম্প্রীতি বজায় রাখতে আওয়ামী লীগ প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে কাজ করে যাচ্ছে। বর্তমান মুক্তিযুদ্ধের চেতনা প্রগতিশীল সরকার দেশের সকল ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান রক্ষণাবেক্ষণের কর্মসূচী বাস্তবায়ন করছে। সম্প্রতি সরকার অগ্রাধিকার ভিত্তিতে দেশের সবগুলো ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের সংস্কার উন্নয়ন: পরিচ্ছন্নতার জন্য অনুদান দিয়ে যাচ্ছে। এ সরকার সকল ধর্মের মানুষের মধ্যে সৌহার্দপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তোলার পক্ষে। কিন্তু এ দেশে একটি মহল আছে যারা ধর্মীয় উম্মাধনা সৃষ্টি করতে চায়। তারা সাম্প্রদায়িক বিষবাষ্প ছড়িয়ে মৌলবাদ, জঙ্গিদের নেপথ্যে পৃষ্ঠপোষকতা করে। একাত্তরের ঘাতক রাজাকার-যুদ্ধাপরাধীদের উস্কে দিয়ে এদেশে অস্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টি করে দিতে চায়।
কিন্তু এদেশের শান্তিপ্রিয় জনগণ তা কখনো হতে দেবে না। নাছিরাবাদ আদর্শপাড়া শ্রী শ্রী সন্তোষী মা ও লোকনাথ সেবাশ্রমের বাইশতম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে “সন্তোষী মা ও অন্নপূর্ণা মায়ের পূজা অষ্টপ্রহরব্যাপী নাম সংকীর্তন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি উপরোক্ত কথাগুলো বলেন।
মন্দির পরিচালনা পরিষদের সভাপতি ডা: সুধীর চক্রবর্ত্তীর সভাপতিত্বে সাধারণ সম্পাদক অজিত দাশের পরিচালনায় আলোচনা অনুষ্ঠানে অতিথিগণকে স্বাগত জানান মন্দিরের প্রতিষ্ঠাতা শ্রীমতি কানন বালা দেবী, প্রধান পুরোহিত শ্রীবেনু ব্রহ্মচারী মহারাজ।
বিশেষ অতিথি ছিলেন মন্দির কমিটির সহ সভাপতি প্রশান্ত ভট্টাচার্য্য, চট্টগ্রাম মহানগর যুবলীগ সদস্র এস এম সাঈদ সুমন, শেখ নাছির আহমেদ, মহানগর যুবলীগ নেতা আশরাফুল গণি, সমাজকল্যাণ পরিষদের সাধারণ সম্পাদক আবদুল মোতালেব, মহল্লা কমিটির সহ সভাপতি আবদুস সালাম। অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন মন্দির পরিচালনা পরিষদের নেতা সঞ্জিত দাশ ভুট্টু, বিশ্বজিৎ দে, স্টাইলিন দে, পংকজ দে। এ সময় নেতৃবৃন্দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন এস এম তানভীর হাসান, মো: শফিকুর ইসলাম রিমন, মো: নুরউদ্দিন (বাবু), মো: রাকিব প্রমুখ। এ সময় মন্দিরের ইমারত নকশার চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের অনাপত্তি পাওয়া এক বাৎসরিক উপলক্ষে মোট নয় হাজার পূঁজারি খাবারের ব্যবস্থা করা হয়। এ সময় প্রধান অতিথি ফরিদ মাহমুদ সহ সকল নেতৃবৃন্দ মন্দির, কীর্তন, স্থান, বন্ধনশালা ও খাবার বিতরণ ব্যবস্থা ঘুরে দেখেন।
