সিটিনিউজ ডেস্ক :: নতুন বছর ২০১৮ সালে আওয়ামী লীগ সরকারের অন্যায় অত্যাচার থেকে দেশের মানুষ মুক্তি চায় বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া।
তিনি বলেন, সকল ধর্মের মানুষ শান্তি চায়। দেশে গণতন্ত্রও নাই, শান্তিও নাই। আমরা সকল দলের অংশগ্রহণে একটি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন চাই। দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হবে না। ২০১৪ সালে ৫ জানুয়ারিতে কোন নির্বাচন হয়নি। ১৫৪ জন বিনা ভোটে নির্বাচিত হয়েছে। নির্বাচনের দিন ভোট কেন্দ্রে কুকুর ঘোরাফিরা করেছে।
প্রতিবছরের ন্যায় এবারও বড়দিন উপলক্ষে খ্রিষ্টান সম্প্রদায়েরর সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময়কালে শনিবার রাতে গুলশানে বিএনপির চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময়ে তিনি খিস্ট্রান সম্প্রদায়ের নেতৃবৃন্দদের সঙ্গে নিয়ে বড়দিনের কেক কাটেন।
এ সময় খিস্ট্রান সম্প্রদায়ের পক্ষ থেকে বেগম খালেদা জিয়াকে শুভেচ্ছা জানানো হয়।
বেগম জিয়া বলেন, গাইবান্ধায় সরকারি দলের লোকেরা হিন্দু সম্প্রদায় লোকদের বাড়ি ঘরে আগুন দিয়েছে। এ রকম বহু ঘটনা ঘটাচ্ছে তারা। আর দোষ দেয় বিএনপি ও বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের উপর। সরকারের অন্যায় অত্যাচার থেকে দেশের মানুষ মুক্তি চায়।
বিএনপি চেয়ারপারসন বলেন, সরকার অন্যায় অত্যাচার করে সরকার বিএনপিকে দুর্বল করতে চায়। আমি যেদিন আদালতে যাই; আমার সাথে ছেলে মেয়েরা থাকে। তাদের উপর আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা হামলা করে, গ্রেফতার করে নিয়ে যায়। তারপরে মিথ্যা মামলা দিয়ে কারাগারে নেয়।
তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ পরিকল্পিতভাবে যুব সমাজকে ধ্বংস করে দিচ্ছে। যুব সমাজকে আওয়ামী লীগের লোকেরা মাদক দেয়। এদেরকে গ্রেফতারও করে না আর বিচারও হয় না।
খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের নেতাকর্মীদের উদ্দেশ করে সাবেক এই প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই দেশ আমাদের সকলের। আপনারা খ্রিস্টান হতে পারেন। সকলে মিলে দেশটাকে গড়বো। সকলে মিলে কাজ করলে অনেক সুন্দর করতে পারবো। বড়দিন ও নববর্ষে আমরা প্রত্যাশা করবো আগামী বছরে গণতন্ত্র ফিরবে শান্তি ফিরে আসবে বলে আমার বিশ্বাস।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, নজরুল ইসলাম খান, ড. আব্দুল মঈন খান, ভাইস চেয়ারম্যান ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, যুবদলের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি অ্যালবার্ট পি কস্তা, খিষ্ট্রান সম্প্রদায়ের নেতা সুব্রত রোজারিও, অধ্যাপক মার্শেল এন ফিরান, সঞ্জিব হাওলাদার, বিএনপির সহধর্ম বিষয়ক সম্পাদক জন গমেজ প্রমুখ।
