নিজস্ব প্রতিবেদক :
বিশিষ্ট সমাজসেবক ফরিদ মাহমুদসহ নগর যুবলীগ এবং ছাত্রলীগের নেতৃবৃন্দ চট্টগ্রাম বন্দর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন যোদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কেন্দ্রীয় কাউন্সিলের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান ক্যাপ্টেন এনামুল হক চৌধুরীকে দেখতে যান।
উল্লেখ্য যে, চট্টগ্রামের অবিসংবাদিত নেতা আলহাজ্ব এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরীর নামাজে জানাজা শেষে লালদীঘিতে ভীড়ের চাপে পায়ের দুই আঙ্গুল এবং গিড়ার হাড় ভেঙ্গে যায়। তাঁকে প্রথমে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসা শেষে চট্টগ্রাম বন্দর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। এসময় নেতৃবৃন্দ আহত নেতার পাশে দীর্ঘক্ষণ সময় কাটান এবং তার সহধর্মীনির
সাথে কথা বলেন। ক্যাপ্টেন এনামুল হক চৌধুরী আলহাজ্ব এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরীর দীর্ঘদিনের সহযোদ্ধা। মুক্তিযুদ্ধে তার বীরত্বপূর্ন ভূমিকা ছিল। বিশেষকরে চট্টগ্রামের মাদারবাড়িতে পাক সেনাদের লক্ষ্য করে গুলি করার ঘটনা সকল মহলে অবগত।
৮৮সনের ২৪ জানুয়ারি, ৯৪ সালে গোলাম আজম বিরোধী প্রগতিশীল আন্দোলনেও তাঁর সাহসী ভূমিকা ছিল। নতুন প্রজন্মের মধ্যে অনেকেই তা জানেনা। আলাপচারিতার একপর্যায়ে ক্যাপ্টেন এনামুল হক চৌধুরী দু:খ প্রকাশ করে বলেন, কে বা কাহারা চিকিৎসার জন্য প্রধানমন্ত্রীর সাহায্যের প্রার্থী বলে পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশ করিয়েছেন তা অত্যন্ত দু:খজনক। প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধারা কখনো কারো কাছে হাত পাতে না।
এই সময় নেতৃবৃন্দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, চট্টগ্রাম মহানগর যুবলীগের সদস্য এস.এম সাঈদ সুমন, শেখ নাছির আহমেদ, দেলোয়ার হোসেন দেলু, মহানগর যুবলীগ নেতা আশরাফুল গণি, জহির উদ্দিন সুমন, কামরুল ইসলাম, ইয়াছিন ভূইয়া, মো. সালাহ উদ্দিন, আবু বক্কর ছিদ্দিক পলাশ, মো. দিদার, ছাত্রলীগ নেতা কাহার ছিদ্দিকী, মো. রিয়াজ, মো. নিজাম উদ্দিন, মো. আলম, সরোয়ার কবির রানা, মো. সাজ্জাদ, মো. এয়াছিন আরাফাত, মো. তুষার প্রমুখ।
পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়, উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁকে আগামী সাপ্তাহে ব্যাংকক নিয়ে যাওয়া হবে। তিনি মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী প্রগতিশীল সকল নেতাকর্মীর নিকট দোয়া চেয়েছেন। সমাজসেবক ফরিদ মাহমুদ সন্ধ্যায় চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামীলীগের সাবেক সহ-সভাপতি, চট্টগ্রাম ডাইবেটিক সমিতি হাসপাতালের সভাপতি ডা. ছৈয়দুর রহমানকেও দেখতে যান। তিনি বর্তমানে জাকির হোসেন রোডস্থ চট্টগ্রাম ডায়াবেটিক হাসপাতালে আইসিওতে বার্ধক্যজনিত রোগে চিকিৎসাধীন আছেন।
