সিটি নিউজ ডেস্কঃ সংসদে সংরক্ষিত নারী আসনের মেয়াদ বৃদ্ধি ও ৫৭ ধারা বাতিল করে সংবিধানের সপ্তদশ সংশোধনীর খসড়া অনুমোদন করেছে মন্ত্রিসভা। আজ সোমবার (২৯ জানুয়ারী) প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে এ অনুমোদন দেয়া হয়।
এই সংশোধনীর ফলে সংরক্ষিত নারী আসনের মেয়াদ আরো ১৫ বছর বাড়লো। বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহম্মদ শফিউল আলম সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী সংসদে এখন ৫০টি সংরক্ষিত নারী আসন রাখার বিধান রয়েছে। আগামী বছর জানুয়ারিতে এ বিধানের মেয়াদ শেষ হবে।
তবে তার আগেই সরকার অন্তত পরবর্তী চারটি সংসদের জন্য সংরক্ষিত নারী আসনের মেয়াদ বাড়ানোর লক্ষ্য নিয়ে সংবিধানে নতুন সংশোধনীর উদ্যোগ নিয়েছে। মন্ত্রিসভায় অনুমোদন পাওয়া খসড়া এখন বিল আকারে সংসদে উত্থাপন করবে আইন মন্ত্রণালয়। সংবিধান সংশোধনের জন্য প্রয়োজনীয় দুই তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা বর্তমান ক্ষমতাসীন আওয়াম লীগ সরকারের রয়েছে।
বর্তমান সরকারের আমলে সংবিধানের শেষ সংশোধনী আনা হয়েছিলো ২০১৬ সালে। যেটি ষোড়শ সংশোধনী হিসেবে পরিচিত। যদিও পরে সর্বোচ্চ আদালত ওই সংশোধনীকে অবৈধ বলে রায় দেয়। মন্ত্রসভার বৈঠকে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনের (আইসিটি) বিতর্কিত ৫৭ ধারাসহ কয়েকটি ধারা বিলুপ্তির বিধান রেখে ‘ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন-২০১৮’ এর খসড়া চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে।
মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম প্রেস ব্রিফিং এ আরো বলেন,ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের খসড়ায় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনের ৫৪, ৫৫, ৫৬, ৫৭ ও ৬৬ ধারা বিলুপ্তির কথা বলা হয়েছে।
তিনি বলেন,মানহানিকর তথ্য পরিবেশনের জন্য খসড়া আইনে ৩ বছরের কারাদণ্ড বা ৫ লাখ টাকা জরিমানা বা উভয়দণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে। দেশের বিভিন্ন স্থানে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনের ৫৭ ধারার অপব্যবহার বিশেষ করে এই ধারায় সাংবাদিকদের নামে মামলার কারণে এই ধারাটির বিরুদ্ধে সমালোচনা ওঠে। ধারাটি বাতিলের দাবি ওঠে বিভিন্ন মহল থেকে।
