যুদ্ধাপরাধীদের সুযোগ দিতেই জিয়ার কথিত বহুদলীয় গণতন্ত্রঃ হাসিনা
সিটি নিউজ ডেস্কঃঃ প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা বলেছেন, অবৈধভাবে ক্ষমতা দখলকারীরা দেশকে কিছু দিতে পারে না। যুদ্ধাপরাধীদের সুযোগ দিতেই জিয়ার কথিত বহুদলীয় গণতন্ত্র। বহুদলীয় গণতন্ত্রের নামে যুদ্ধাপরাধী, যাদের রাজনীতি নিষিদ্ধ ছিল তাদের রাজনীতি করার সুযোগ করে দেয়াটাই যদি বহুদলীয় গণতন্ত্র হয় তাহলে আমরা কিছু বলার নেই।
আজ রোববার (৪ ফেব্রুয়ারী) বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে (বিআইসিসি) জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা সমাবেশে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন।শেখ হাসিনা বলেন, বিএনপি ২০০১ সালে ক্ষমতায় এসে দেশের সাক্ষরতার হার কমিয়েছে। কিন্তু ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এসে সাক্ষরতার হার বেড়েছে। বর্তমানে সাক্ষরতার হার ৭২.৩ শতাংশ দাঁড়িয়েছে, যা আরো বাড়বে।
তিনি বলেন, পরিবর্তনশীল বিশ্বে তাল মিলিয়ে চলতে হলে শিক্ষকদের চিন্তায় আরও আধুনিক হতে হবে। শিক্ষিত জাতি ছাড়া একটা দেশে উন্নয়ন সম্ভব নয়। মেধাশূন্য দেশ এগিয়ে যেতে পারে না।
বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অবদান তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, মুক্তিযুদ্ধের পরবর্তী সময়ে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশকে গড়তে জাতির পিতা মাত্র কয়েক বছর সময় পেয়েছিলেন। তিনি তখনই প্রাথমিক শিক্ষাকে বাধ্যতামূলক করেছিলেন।
তিনি নারী শিক্ষার প্রতি গুরুত্ব দিয়ে তাদের শিক্ষাও অবৈতনিক করেছিলেন। বঙ্গবন্ধু বলেছিলেন, শিক্ষাখাতে বিনিয়োগ সবচেয়ে বড় বিনিয়োগ। ধ্বংসস্তূপের ওপর দাঁড়িয়ে মাত্র সাড়ে তিন বছরে দেশকে কিভাবে পরিচালিত করতে হবে তার দিক নির্দেশনা তিনি দিয়ে গিয়েছিলেন।
তিনি আরও বলেন, শিক্ষার প্রসারে আমরা বহুমুখী ব্যবস্থা নিয়েছি। প্রাথমিক বিদ্যালয় জাতীয়করণ করা হয়েছে। আমরা ক্ষমতায় এসে দেশের কোন কোন গ্রামে স্কুল প্রয়োজন এবং যোগাযোগ ব্যবস্থা খারাপ সে বিষয়ে একটি জরিপ করেছিলাম। সেই ভিত্তিতে বিভিন্ন স্থানে প্রায় দেড় হাজার স্কুল করেছিলাম।
আমরাই এক একটি জেলাকে নিরক্ষরমুক্ত করে সরকারিভাবে ঘোষণা করার উদ্যোগ নিয়েছিলাম। তিনি বলেন, আওয়ামীলীগ ক্ষমতায় থাকলে সবদিক দিয়ে দেশ এগিয়ে যায়, আর বিএনপি ক্ষমতায় থাকলে সবদিক দিয়ে দেশ পিছিয়ে যায়।
