রায় নিয়ে আমাদের চেয়ে শাসকরাই বেশী অস্থিরঃ খালেদা জিয়া

0

সিটি নিউজ ডেস্কঃঃ  বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া বলেছেন, দেশবাসীর উদ্দেশে সগৌরবে জানাতে চাই,  আপনাদের খালেদা জিয়া কোনো অন্যায় করেনি। কোনো দুর্নীতি আমি করিনি। ন্যায়বিচার হলে বেকসুর খালাস পাব।

আজ বুধবার (৭ ফেব্রুয়ারী) বিকেল ৫টায় রাজধানীর গুলশানে বিএনপির চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন খালেদা জিয়া।

আগামীকাল বৃহস্পতিবার (৮ ফেব্রুয়ারী) জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলার রায় ঘোষণার দিন ধার্য আছে। ওই মামলার প্রধান আসামি খালেদা জিয়া। এর আগের দিন আজ সংবাদ সম্মেলন করলেন খালেদা জিয়া।

খালেদা জিয়া বলেন,আপনারা জানেন আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলায় রায় হবে। এ রায়কে কেন্দ্র করে শাসক মহল আমাদের চেয়ে বেশি অস্থির।
খালেদা জিয়া বলেন,ভিত্তিহীন ও মিথ্যা মামলার বিরুদ্ধে জনগণের প্রতিবাদে ভীত হয়ে এ হীন পথ বেছে নিয়েছে এ অবৈধ সরকার। সারা দেশে তারা ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছে।

বিএনপির চেয়ারপারসন বলেন,আদালত রায় দেওয়ার বহু আগে থেকেই শাসক মহল চিৎকার করে বেড়াচ্ছে আমার জেল হবে। যেন বিচারক নয়, ক্ষমতাসীনরাই রায় ঠিক করে দিয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে খালেদা জিয়া বলেন, কথিত সংসদে নেই প্রকৃত বিরোধী দল। সাবেক প্রধানমন্ত্রী বলেন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে জনগণের বিরুদ্ধে দাঁড় করানো হয়েছে।

তিনি আরো বলেন, মাদকের বিষাক্ত ছোবলে তরুণ সমাজ ধ্বংস হচ্ছে। সমাজে দেখা যাচ্ছে অবক্ষয়। এই অবক্ষয় থেকে মানুষ মুক্তি পেতে চায়। তারা অধিকার ফিরে পেতে চায়। তারা আমাদের দিকে তাকিয়ে আছে।

খালেদা জিয়া বলেন,বিএনপির অগণিত নেতাকর্মী, অসংখ্য মানুষ হামলা ও মামলার শিকার হচ্ছে। তিনি আরো বলেন, দেশের মানুষ তাদের নির্বাচন করেনি। তাদের দেশ পরিচালনায় জনগণের সম্মতি নেই। নৈতিক দিক দিয়ে তারা অবৈধ।

তিনি বলেন, জনগণের সমর্থন নেই বলেই তারা সুষ্ঠু অবাধ নির্বাচন করতে ভয় পায়। খালেদা জিয়া বলেন, সরকারি খরচে এক বছর আগে থেকেই নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করেছে হাসিনা। মানুষ প্রহসনের নয় সত্যিকারের নির্বাচন চায়।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার, লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মাহবুবুর রহমান ও ড. আবদুল মঈন খান, বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা খন্দকার মাহবুব হোসেন, নজরুল ইসলাম খান, মির্জা আব্বাস প্রমুখ।

এ বিভাগের আরও খবর
আপনার মতামত লিখুন :

Your email address will not be published.