সিটি নিউজ ডেস্কঃঃ বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন জনগনের উত্তাল গনআন্দোলনে সরকার বিদায় নিতে বাধ্য হবে। কোন ধরনের উস্কানির মধ্যে দলের নেতা কর্মীদের কান না দেয়ার জন্য অনুরোধ জানান। তিনি আজ শনিবার (১৭ ফেব্রুয়ারী ) সকাল ১১টায় রাজধানীর নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এ কর্মসূচির উদ্বোধন কালে একথা বলেন।
এ সময় সেখানে উপস্থিত ছিলেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশারর হোসেন, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, ড. আবদুল মঈন খান, মির্জা আব্বাস, নজরুল ইসলাম খান, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, যুগ্ম মহাসচিব মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, প্রচার সম্পাদক শহিদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি প্রমুখ।
খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে বিএনপির আজকের এ গণস্বক্ষর কর্মসূচি চলবে দেশব্যাপী। দলের নেতাকর্মী ছাড়াও সাধারণ মানুষ বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এসে খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে স্বাক্ষর করতে পারবেন।
এদিকে ঢাকা ছাড়াও সারা দেশের জেলা, মহানগর ও উপজেলায় একসঙ্গে এ কর্মসূচি পালিত হচ্ছে। বিএনপির এ কর্মসূচি ঘিরে আজ সকাল থেকেই নয়াপল্টন বিএনপি কার্যালয় ও আশপাশের এলাকায় রয়েছে পুলিশের সতর্ক অবস্থান।
পুলিশের মতিঝিল বিভাগের সহকারী পুলিশ কমিশনার আরিফুল ইসলাম বলেন, বিএনপি কার্যালয়ের সামনে এমনিতে পুলিশ দায়িত্ব পালন করে। তা ছাড়া কোনো কর্মসূচি থাকলে এমনিতেই একটু বেশি পুলিশ দায়িত্ব পালন করে। আজও তার ব্যতিক্রম নয়।
জিয়া অরাফানেজ ট্রাস্ট মামলায় পাঁচ বছরের সাজাপ্রাপ্ত হয়ে বেগম খালেদা জিয়া কারাগারে যাওয়ার পয় এটি বিএনপির তৃতীয় দফা কর্মসূচি। এর আগে ৯ ফেব্রুয়ারি ঢাকাসহ দেশব্যাপী বিক্ষোভ কর্মসূচি, ১০ ফেব্রুয়ারি থানা, উপজেলা, জেলা মহানগরে প্রতিবাদ সমাবেশ, ১২ ফেব্রুয়ারি মানববন্ধন, ১৩ ফেব্রুয়ারি অবস্থান কর্মসূচি ও ১৪ ফেব্রুয়ারি অনশন কর্মসূচি পালন করে বিএনপি।
খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে বিএনপির এ ৫ দিনের কর্মসূচি পালন ছাড়াও বিদেশি কূটনৈতিক, ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রতিনিধি, পেশাজীবী, আইনজীবী ২০ দলীয় জোটসহ দলের অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাদের সাথে বৈঠক করেন দলের জ্যৈষ্ঠ নেতারা।
গত ৮ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার দুপুরে পুরান ঢাকার বকশীবাজারে স্থাপিত বিশেষ জজ আদালতের বিচারক ড. মো. আখতারুজ্জামান জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় রায় ঘোষণা করেন।
