ক্ষুধা দারিদ্রমুক্ত দেশ বিনির্মানের মূল কারিগর আলোকিত মানুষঃ মেয়র
নিজস্ব প্রতিবেদক, সিটি নিউজঃঃ চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আলহাজ্ব আ জ ম নাছির উদ্দীন বলেছেন, দেশ এবং জাতির কাংখিত উন্নয়ন ত্বরান্বিত করতে বর্তমান প্রজন্মের শিক্ষার্থীদের আলোকিত মানুষ হয়ে গড়ে উঠতে হবে। তিনি বলেন, বর্তমান সরকার প্রধান জননেত্রী শেখ হাসিনার ভিশন ক্ষুধা দারিদ্রমুক্ত সোনার বাংলাদেশ বিনির্মানের মূল কারিগর আলোকিত মানুষ।
নীতি-নৈতিকতায় সম্পন্ন দক্ষ জনশক্তি ছাড়া উন্নয়ন ও অগ্রগতি সম্ভব নয়। মেয়র বলেন, ২০১৮ সনের এইচএসসি শিক্ষার্থী সকলকে ভাল ফলাফল করে চরিত্রবান নাগরিকের মর্যাদায় অধিষ্ঠিত হতে হবে। আজ রববিার (১৮ ফেব্রুয়ারি), দুপুরে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের শাহআলম বীরউত্তম মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত সাউথ এশিয়ান কলেজ চট্টগ্রামের এইচএসসি পরীক্ষার্থী বিদায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির ভাষনে মেয়র এসব কথা বলেন।
অত্র শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ মোহাম্মদ দিদারুল আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন সংরক্ষিত ওয়ার্ড কাউন্সিলর মিসেস আঞ্জুমান আরা বেগম এবং অত্র শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহী আবদুল্লাহ আল মামুন। অনুষ্ঠান শেষে ৩৫০ জন শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার সামগ্রী প্রদান করেন প্রধান অতিথি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন।
এদকিে আজ বিকেলে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের কে বি আবদুচ ছত্তার মিলনায়তনে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আলহাজ্ব আ জ ম নাছির উদ্দীন এর সাথে আগ্রাবাদ রেসিডেন্সিয়াল এরিয়া সোসিও কালচারাল সোসাইটি (আরাসকা)’র নবনির্বাচিত কার্যনির্বাহী কমিটি মতবিনিময় করেন।
মতবিনিময়ে তারা তাদের আবাসিক এলাকার কিছু সমস্যা মেয়র বরাবরে উপস্থাপন করেন। তন্মধ্যে সিডিএ আবাসিক এলাকায় চলমান সড়ক ও ড্রেন নির্মাণ কাজ তরান্বিত করা, বর্ষা মৌসুমের পূর্বে আগ্রাবাদ সিডিএ আবাসিক এলাকার ১, ১৬, ২১, ২৪, ২৬, ২৭, ২৮ ও ২৯ নং রোডের উন্নয়ন কাজ সম্পন্ন করা, অত্র আবাসিক এলাকায় অবৈধভাবে গড়ে উঠা স্থাপনা উচ্ছেদ এবং মাদক সেবনে জড়িতদের আইনের আওতায় আনা, মহেষখালের সংস্কারসহ মুখে স্লুইচ গেইট নির্মাণ রয়েছে।
চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আলহাজ্ব আ জ ম নাছির উদ্দীন আরাসকার দাবী সমূহ আন্তরিকতার সাথে বিবেচনায় আনার বিষয়গুলো অবহিত করে বলেন, সিডিএ’র মাধ্যমে গৃহীত প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে জলাবদ্ধতা নিরসন সম্ভব হবে। এ প্রকল্প বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন নিজস্ব উদ্যোগে খালের ধারণ ক্ষমতা বাড়ানোর কাজ করে যাচ্ছে।
এ ছাড়াও সিডিএ’র আবাসিক এলাকার পাশে মহেষখালের গেইটগুলো বন্ধ করে দেয়ার পরিকল্পনা গ্রহন করা হয়েছে। পানি প্রবেশের গেইটগুলো জোয়ারের সময় বন্ধ করে ভাটার সময় খোলার ব্যবস্থা আরাসকাকে গ্রহন করার আহবান জানান। তিনি বলেন, তার মেয়াদ কালে উন্নয়ন কাজ দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে।
সরকারের সহযোগিতায় প্রকল্পের মাধ্যমে মহেষখালের মাটি উত্তোলন, দেয়াল নির্মাণ, সিডিএ আবাসিক এলাকার রাস্তা উচুকরণ, নালা নির্মাণ, গেইট নির্মাণ, আগ্রাবাদ এক্সেস রোড উন্নয়ন, পোর্ট কানেকটিং রোড উন্নয়ন সহ নানামুখি উন্নয়ন কার্যক্রম চলমান আছে।
মেয়র আশা করেন, নাগরিকদের সার্বিক সহযোগিতায় চট্টগ্রামকে বাসপোযোগী একটি নগরীতে উন্নিত করা সম্ভব হবে। সে লক্ষ্যে গৃহীত প্রকল্প ও পরিকল্পনা শতভাগ বাস্তবায়নে নাগরিকদের নিকট চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রাপ্য পৌরকর নিয়মিত পরিশোধ করার আহবান জানান।
