ডরিন পাওয়ারের আইপিও’র আবেদনের সময় বেড়েছে

0

সিটিনিউজবিডিঃ পুঁজিবাজার থেকে প্রাথমিক গণ প্রস্তাবের (আইপিও) মাধ্যমে অর্থ সংগ্রহের জন্য ডরিন পাওয়ার জেনারেশন অ্যান্ড সিস্টেমস লিমিটেডের আবেদন জমা দেয়া নেয়ার সময় বাড়ানো হয়েছে। কোম্পানিটির আইপিও আবেদন আগামী ২২ ফেব্রুয়ারি সোমবার পর্যন্ত জমা নিতে পারবে বলে বিএসইসি সূত্রে জানা গেছে।

জানা গেছে, বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) নিকট কোম্পানি ও  ইস্যু ম্যানেজার সময় বাড়ানোর জন্য আবেদন করে। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে কমিশন আগামী ২২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত আবেদন জমা দেয়ার সময় বাড়িয়েছে।

এর আগে কোম্পানিটির আইপিও আবেদনের ওপর হাইকোর্টের দেয়া ছয় মা‌সের স্থ‌গিতাদেশ প্রত্যাহার করেছেন সুপ্রিম কোর্ট আপিলেট ডিভিশন।

গত রোববার সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকীর চেম্বার কোম্পানির আইপিওতে হাইকোর্টে দেয়া স্থগিতাদেশ ৪ সপ্তাহের জন্য প্রত্যাহার করেছে।

এর আগে ৯ ফেব্রুয়ারি মঙ্গলবার উচ্চ আদাল‌তে বিচারপতি জুবা‌য়ের রহমান চৌধুরী ও খসরুজ্জামানের যৌথ বেঞ্চ আগামী ছয় মা‌সের জন্য ডরিনের আইপিও আবেদনের ওপর স্থ‌গিতা‌দেশ দেন। দুজন বি‌নি‌য়োগকারীর রি‌ট আবেদনের পরিপ্রে‌ক্ষি‌তে এ স্থ‌গিতা‌দেশ দেন। এর আগে ৮ ফেব্রুয়ারি রোববার থে‌কে ড‌রি‌নের আইপিও আবেদন শুরু হয়।

এদি‌কে, পুঁজিবাজার থেকে অর্থ উত্তোলেনের অনুমোদন পাওয়া বিদ্যুৎখাতের কোম্পানিটি ১০ টাকা অভিহিত মূল্য সঙ্গে ১৯ টাকা প্রিমিয়ামসহ প্রতিটি শেয়ারের মূল্য নিবে ২৯ টাকা। যার মার্কেট লট নির্ধারণ করা হয়েছে ২০০টি শেয়ারে। অর্থাৎ প্রতিটি আইপিও অবেদনের জন্য শেয়ার হোল্ডারদের ৫ হাজার ৮০০ টাকা বিনিয়োগ করতে হবে।

কোম্পানিটি দুই কোটি শেয়ার ছেড়ে পুঁজিবাজার থেকে মোট ৫৮ কোটি টাকা সংগ্রহ করবে। সংগ্রহকৃত টাকা দিয়ে দুই সাবসিডিয়ারি প্রতিষ্ঠানের পাওয়ার প্লান্ট স্থাপন, ব্যাংকঋণ পরিশোধ ও আইপিও প্রক্রিয়ার ব্যয় নির্বাহ করবে ডরিন পাওয়ার।

২০১৪ সালের ৩০ জুন সমাপ্ত হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক বিবরণী অনুসারে, ডরিন পাওয়ারের শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য দাড়িয়েছে ৩৪ টাকা ৮৭ পয়সা। আর কোম্পানিটির গত ৫ বছরের ওয়েটেড এভারেজ শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৩ টাকা ১৯ পয়সা।

উল্লেখ্য, গত ৩০ নভেম্বর বিএসইসির ৫৬০তম সভায় ডরিন পাওয়ার জেনারেশনস অ্যান্ড সিস্টেমস লিমিটেডকে প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) দেয়া হয়।

কোম্পানিটির ইস্যু ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে আছে অ্যালায়েন্স ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস লিমিটেড এবং আইসিবি ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড।

এ বিভাগের আরও খবর
আপনার মতামত লিখুন :

Your email address will not be published.