সিটিনিউজবিডি : সংস্কার ও রক্ষনা-বেক্ষন না হওয়ায় নানা সমস্যা হয়ে দিনে দিনে ভেঙে পড়ছে সীতাকুণ্ড পৌর সদর কাচা বাজারের গ্রাহক সেবা। প্রতি বছর বাজারটি সরকারী মূল্যের অধিক মূল্যে দেয়া হয় ইজারা। এরপরও বাজার ভেঙে চরম দুর্ভোগের কারণ হয়ে দাড়িয়েছে ঐতিহ্যবাহী মন্থর হাট নামে পরিচিত পৌরসদর কাচা বাজার।
প্রতি বছরের ন্যায় এবারো এক বছরের জন্য ইজারা দেয়া হয়েছে সীতাকুণ্ড পৌরসদর কাচা বাজার। দীর্ঘদিন ধরে অযত্ন-অবহলায় ভেঙে ভেঙে পড়ায় সীমাহীন জন-দুভোর্গের কারন হয়ে দাড়িঁয়েছে বাজারটি। এ অবস্থায় ভবিষ্যতে বাজার সংস্কার না হলে ক্রেতা শূণ্য হওয়ার আংশকা করছে ব্যবসায়ীরা। পৌরসদর কাচা বাজার ঘুরে দেখা যায়, বিশাল আকারের টিন সেডের বাজারটিতে ব্যবসায়ীরা বেচা-বিক্রি করে কোনো রকমে। পুরো বাজারে এতোটুকু ভাল স্থান নেই যেখানে বসে মালামাল বিক্রি করার।
এছাড়া যত্রতত্র সাজিনো পসরায় বিক্রিত চলাচল করা যেন রীতিমত যুদ্বে নামার অবস্থা। একটি মাত্র টয়লেট থাকলেও পরিস্কার পরিচ্ছন্নতার অভাবে ভরে থাকা ময়লা-আবর্জনার দুর্গন্ধে নাভিস্বাস হয়ে উঠে ক্রেতা-বিক্রেতাদের। সে সাথে বাজারের অলি-গলিতে পোকা মাকড়ে ঘর বসতি হয়ে উঠায় খাবার পন্যসহ সর্বত্র ঘুরে বেড়াতে থাকে নানা রকমের কিট-পতঙ্গঁ।
এদিকে নুংরা পরিবেশে ব্যবসা করতে গিয়ে নানা রোগে-ভুগছে ব্যবসাীরা। প্রতিদিন ৫০-১০০ টাকা হারে টুল দেয়ার পরও ব্যবসায়ীদের অভিযোগ শুননে ইজারাদার। বাজারের দুরবস্থার কারনে আগের তুলনায় বিক্রির হার কমে গেছে বলে জানান ব্যবসায়ীরা। অথচ প্রতি বছর বিশাল অংকে বাজারটি ইজারা হয়ে থাকে।
ইজারাদার ইচ্ছা মাফিক টোল আদায় করলেও বাজার সংস্কারের বিষয়ে কথা বলার প্রযোজন মনে করছে না বলে অভিযোগ করেন বাজার কমিটির সভাপতি নাছির উদ্দিন। তবে বাজার সংস্কার করার দায়ীত্ব ইজরাদারের নয় বলে জানান কাচা বাজারের ইজারাদার।

Comments are closed.