দুবাই ব্যুরোঃ দুবাই বঙ্গবন্ধু পরিষদের উদ্যোগে এস এম ইউসুফের শোক সভায় বক্তারা বলেছেন, যোগ্য ব্যক্তির যথাযোগ্য মূল্যায়ন নাহলে সমাজে যোগ্য ব্যক্তির উত্থান সম্ভব নয়। বাঙালি সমাজের এক নিষ্ঠুর আচরন হলো অযথা সমালোচনা করা ও মৃত্যুর পরে তাকে সম্মানিত করা। জীবিত অবস্থায় তাদের প্রকৃত সম্মান দিতে পারলে দেশ ও দশের জন্য আরো মঙ্গল বয়ে আসতো।
১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধুকে স্বপরিবারে হত্যার পর আওয়ামীলীগকে পুনরোজ্জিবীত করার লক্ষে যাঁরা প্রাণপন সংগ্রামে দেশব্যাপী নেতৃত্ব দিয়েছেন এস এম ইউসুফ তাদের মধ্যে অন্যতম। তাদের মতো সাহসী নেতাদের মেধার ফসল আজকের আওয়ামীলীগ।
গত ৯ ডিসেম্বর শুক্রবার দুবাই মাউন্ট রয়েল হোটেল হলে সংগঠনের সহ সভাপতি নূরুন্নবী রওশনের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক আবুল কাশেমের সঞ্চালনায় এসভায় বক্তৃতা করেন অধ্যাপক এম এ সবুর, জসিম উদ্দিন পলাশ, গোলাম কাদের, শাহজাহান চৌধুরী, হামিদ আলী, মেজবাহউদ্দিন, এম এ ছোবহান, ছবুর মিয়া, মো সেলিম উদ্দিন, মো ওমর, তারেক আহমদ প্রমুখ। সভায় এস এম ইউসুফের রাজনৈতিক অবদান, ভূমিকা, ও স্মৃতিচারন করে দীর্ঘ সূচনা বক্তব্য রাখেন শৈবাল বড়ুয়া। সভার শুরুতে পবিত্র কোরান থেকে তেলওয়াত করেন রফিক আহমদ ও মোনাজাত করেন আনোয়ার শাহদাৎ মুহুরী।
সভায় বক্তাগন আরো বলেন রাজনীতিকে কঠিন করে দেওয়ার ঘোষনা দিয়ে জিয়া যে অপরাজনীতি চালু করেছিল তার অনলে তারুণ্য ধ্বংস হয়েছে, শিল্প, সাহিত্য, সংস্কৃতি, ইতিহাস, ঐতিহ্যকে দুর্বল করে দিয়ে মিথ্যা, ষড়য়ন্ত্র, ও হত্যার রাজনীতি দেশকে বিভক্ত করেছে। অহংকারের জায়গাগুলোতে কালিমালিপ্ত করে,সম্ভবনাময় বিষয়াদিকে বিনষ্ট করে দেওয়া হয়েছে। এই এস এম ইউসুফদের মতো নেতারা আওয়ামীলীগ কে সংগঠিত করে, শেখ হাসিনাকে সভানেএী বানাতে সক্ষম হয়েছিল বলেই বাংলাদেশ আজ ঘুরে দাঁড়াতে পেরেছে।
