ইসলামী ফ্রন্ট’র আল্টিমেটাম : নিঃশর্ত মুক্তি ও মামলা প্রত্যাহার

0

নিজস্ব প্রতিনিধি :   বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট কেন্দ্রীয় সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব স উ ম আবদুস সামাদ বলেন, পবিত্র রমজানের পূর্বে ২৫ মে’র মধ্যে গ্রেফতারকৃত সকল নেতাকর্মীকে মুক্তি দিতে হবে এবং সরকারের ভাবমূর্তি বিনষ্ট করার জন্য পুলিশ বাহিনীর অভ্যন্তরে লুকিয়ে থাকা জঙ্গি দোসরদের খুঁজে বের করতে হবে। তিনি আগামী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে পটিয়া থানার ওসি নেয়ামত উল্লাহকে প্রত্যাহার করার দাবি জানান।

তিনি বলেন, পটিয়া থানার ওসি নেয়ামত উল্লাহ বাংলাদেশে নিষিদ্ধ ঘোষিত জাকির নায়েকের অনুসারী। সে নিষিদ্ধ হলেও সর্ষের মধ্যে ভূত রয়ে গেছে। এ ভূত তাড়াতে হবে। ওসি নেয়ামত কোন্ আইনে, কিসের ক্ষমতা বলে অন্য থানায় গিয়ে সুশৃঙ্খল শান্তিপূর্ণ মিছিলে লাঠিচার্জ করল এবং নিরাপরাধ কর্মীদের গ্রেফতার করল? তাকে এর মাশুল দিতে হবে! সে পরিকল্পিতভাবে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা সৃষ্টি করে সরকারকে বেকায়দায় ফেলতে এসব ঘটাচ্ছে।

আজ বুধবার (১৭ মে) বিকালে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাব চত্বরে  বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট, যুবসেনা ও ছাত্রসেনা চট্টগ্রাম মহানগরের উদ্যোগে পটিয়ায় শান্তিরহাটের ঘটনায় গ্রেফতারকৃত নেতা-কর্মীদের মুক্তি ও মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে প্রতিবাদ সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। নগর উত্তর ইসলামী ফ্রন্টের সভাপতি আলহাজ্ব মুহাম্মদ নঈম উল ইসলাম এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সমাবেশে স্বাগত বক্তব্য রাখেন, ইসলামী ফ্রন্ট নগর দক্ষিণের সভাপতি মাওলানা নুরুল ইসলাম জিহাদী।

এতে প্রধান বক্তা ছিলেন ইসলামী ফ্রন্টের কেন্দ্রীয় প্রচার সচিব জননেতা মাওলানা মুহাম্মদ রেজাউল করিম তালুকদার। বিশেষ অতিথি ছিলেন, ইসলামী ফ্রন্টের আন্তর্জাতিক সচিব আল্লামা ড. মুহাম্মদ জালাল উদ্দিন আল আজহারী। যুবনেতা সৈয়দ মুহাম্মদ আবু আজমের সঞ্চালনায় প্রতিবাদ সমাবেশে ইসলামী ফ্রন্ট, যুবসেনা ও ছাত্রসেনার নেতৃবৃন্দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, নাছির উদ্দিন মাহমুদ, মুহাম্মদ জয়নাল আবেদীন, মাওলানা মুহাম্মদ আশরাফ হোসাইন, মাস্টার মুহাম্মদ আবুল হোসাইন, শফিউল আলম শফি, মুহাম্মদ নুরুল কবির রেজভী, মাওলানা সাইদুল হক কাজেমী, মাওলানা সোহাইল উদ্দিন আনসারী, আলমগীর ইসলাম বঈদী, জসিম উদ্দিন ছিদ্দিকী, হাবিবুল মোস্তফা ছিদ্দিকী, জি. এম শাহাদত হোসাইন মানিক, মুহাম্মদ এনামুল হক, মুহাম্মদ নাজিম উদ্দিন, এইচ.এম শহীদুল্লাহ, নুরুল্লাহ রায়হান খান, নিজামুল করিম সুজন, ফয়সাল করিম চৌধুরী, মুহাম্মদ ফরিদুল ইসলাম, মুহাম্মদ আবদুল কাদের রুবেল, মুহাম্মদ রিয়াজ হোসাইন, মুহাম্মদ দিদারুল ইসলাম কাদেরী, মারুফ রেজা, শায়ের মাছুমুর রশীদ কাদেরী, মুহাম্মদ আবদুল্লাহ আল মাসুম, মুহাম্মদ ইদ্রিস, মিজানুর রহমান, মুহাম্মদ ইকরাম হোসেন, মুহাম্মদ তৈয়বুল ইসলাম, মুহাম্মদ ফরিদুল আলম, নেজাম উদ্দিন, খোরশেদুল ইসলাম সুমন, মুহাম্মদ ফোরকান কাদেরী, মুহাম্মদ রেজাউল করিম ইয়াছিন, মুহাম্মদ গোলাম মোস্তফা, মুহাম্মদ আবদুর রহমান, মুহাম্মদ আলমগীর, মুহাম্মদ রিদুয়ান হোসেন তালুকদার, মুহাম্মদ মঈনুদ্দিন কাদেরী, মো. আরাফাত, মুহাম্মদ আবদুল কাদের প্রমুখ। সমাবেশে বক্তারা বলেন, বাংলাদেশে সুন্নি মতাদর্শী বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট, যুবসেনা ও ছাত্রসেনার অহিংস রাজনীতির প্রতিপক্ষ উগ্রবাদী কওমী জঙ্গিরা আবহমানকাল ধরে রক্ষিত সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টের লক্ষে অপচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

সেই কওমী গোষ্ঠীদের সাথে আতাত করে পটিয়া প্রশাসন সুন্নি জনতার উপর হামলা ও মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানী করছে। নেতৃবৃন্দ আরো বলেন, সুন্নি জনতার কওমী সনদ বিরোধী যৌক্তিক আন্দোলনকে বিনষ্ট করতে পরিকল্পিতভাবে এসব ঘটানো হচ্ছে। নেতৃবৃন্দ বিচার বিভাগীয় তদন্তের মাধ্যমে গত ৯ মে এবং ১৬ মে সংগঠিত ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে জড়িতদের শাস্তির দাবি জানান।

এ বিভাগের আরও খবর
আপনার মতামত লিখুন :

Your email address will not be published.