সাফাতের সহেযাগী ধর্ষণের আসামি নাঈম আশরাফ গ্রেপ্তার

0

বিশেষ প্রতিনিধি :  বনানীর রেইনট্রি হোটেলে ধর্ষণের অভিযোগে দুই তরুণীর করা মামলার আরেক আসামী নাঈম আশরাফ গ্রেপ্তার। সিরাজগঞ্জের কাজীপুরের হালিম নাম ভাঁড়িয়ে ঢাকায় নাঈম আশরাফ নামে ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট প্রতিষ্ঠান খুলে ব্যবসা চালাচ্ছিলেন বলে ধর্ষণের অভিযোগ ওঠার পর প্রকাশ পায়।

এই ধর্ষণ মামলার আসামি আপন জুয়েলার্সের মালিকের ছেলে সাফাত আহমেদ ও তার বন্ধু সাদমান শাফিক গত ১১ মে সিলেটে গ্রেপ্তার হন। তার চার দিনের মধ্যে ঢাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয় মামলার আরও দুই আসামি সাফাতের দেহরক্ষী রহমত আলী এবং গাড়িচালক বিল্লাল হোসেন। তার দুদিনের মাথায় পালিয়ে থাকা অন্য আসামি হালিম বা নাঈমকে গ্রেপ্তারের খবর জানাল পুলিশ।

পুলিশ সুত্রে জানা যায়, “পুলিশ সদর দপ্তরের একটি টিম আজ (বুধবার) রাত পৌনে ৯টার দিকে নাঈম আশরাফকে মুন্সীগঞ্জের লৌহজং থেকে গ্রেপ্তার করেছে। তাকে ঢাকায় আনা হচ্ছে।” এনিয়ে আলোচিত এই ধর্ষণের ঘটনায় মামলা দায়েরের ১১ দিনের মধ্যে পাঁচ আসামির সবাই গ্রেপ্তার হলেন।

ধর্ষণের আসামি নাঈম আশরাফ ।ছবি- ফাইল

মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, গত ২৮ মার্চ বনানীর রেইনট্রি হোটেলে সাফাত ও নাঈম দুই বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রীকে ধর্ষণ করেন। বাকি তিনজন ছিলেন সহকারী।

আসামিদের মধ্যে সাদমান রেগনাম গ্রুপ ও পিকাসো রেস্তোরাঁর অন্যতম মালিক মোহাম্মদ হোসেন জনির ছেলে। রেইনট্রি হোটেলটির মালিক আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য বি এইচ হারুনের সন্তানরা।
গত ৬ মে মামলার পর গণমাধ্যমে নাঈমের ছবি দেখে তাকে হালিম বলে শনাক্ত করেন সিরাজগঞ্জের কাজীপুরের গাইন্দাইল গ্রামের বাসিন্দারা।

হালিম ওই গ্রামের ফেরিওয়ালা আজমদাজ হোসেনের ছেলে। এলাকায় প্রতারক হিসেবে তার পরিচয় ছিল।

এ বিভাগের আরও খবর
আপনার মতামত লিখুন :

Your email address will not be published.