নিজস্ব প্রতিবেদক: মাদক মামলার আসামি দেলোয়ার হোসেন ছিলেন আইনজীবী ওমর ফারুক বাপ্পীর মক্কেল। দেলোয়ার জেলে যাবার পর তার জামিন নিতে গিয়ে স্ত্রী রাশেদা যোগাযোগ করেন বাপ্পীর সঙ্গে। সেই সম্পর্কের সূত্রে বাপ্পী গোপনে বিয়ে করেন রাশেদাকে, কিন্তু স্বীকৃতি দেননি। সম্প্রতি বাপ্পীকে বিয়ে দেওয়ার জন্য তার পরিবার মেয়ে খুঁজছিল।
বিষয়টি শুনে রাশেদা সামাজিক ও পারিবারিক স্বীকৃতি পাওয়ার জন্য মরিয়া হয়ে উঠেন।
বারবার চেষ্টা করেও বাপ্পীর কাছ থেকে স্বীকৃতি আদায় করতে না পেরে প্রতিশোধপরায়ণ হয়ে উঠেন রাশেদা।
কাবিননামার টাকা বাড়িয়ে বাপ্পীকে বাধ্য করার কৌশল নেন। সেই কৌশল বাস্তবায়ন করতে গিয়ে বন্ধু হুমায়ূনকে নিয়ে বাপ্পীকে খুন করে ফেলেন রাশেদা, সঙ্গে ছিলেন আরো চারজন।
বাপ্পী খুনের ঘটনায় রাশেদা বেগমসহ (২৭) ছয়জনকে আটকের পর তাদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে খুনের কারণ সম্পর্কে বলেছেন পিবিআইয়ের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (মেট্রো) মো.মঈন উদ্দিন।
আটক হওয়া বাকি পাঁচজন হলেন, হুমায়ূন রশীদ (২৮), আল-আমিন (২৮), মো.পারভেজ প্রকাশ আলী (২৪), আকবর হোসেন প্রকাশ রুবেল (২৩) এবং জাকির হোসেন প্রকাশ মোল্লা জাকির (৩৫)।
শনিবার (২৫ নভেম্বর) সকালে নগরীর চকবাজার থানার কে বি আমান আলী রোডে বড় মিয়া মসজিদের সামনে একটি ভবনের নিচতলার বাসা থেকে ওমর ফারুক বাপ্পীর (৪০) মরদেহটি উদ্ধার করা হয়েছে।
