নতুন প্রজন্মকে বই পড়ার অভ্যাস করতে হবেঃ শিক্ষামন্ত্রী
সিটি নিউজঃ বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেছেন, বই মানুষের সর্বোত্তম বন্ধু। মানুষের মননের বিকাশ ঘটাতে বই পড়ার বিকল্প নেই। নৈতিকতা সম্পন্ন ভালো মানুষ হতে হলে নতুন প্রজন্মকে বই পড়ার অভ্যাস করতে হবে।
আজ সোমবার (২২ এপ্রিল) শিক্ষামন্ত্রী চট্টগ্রাম জেলা পরিষদ মিলনায়তনে তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদের মা প্রফেসর এ্যাডভোকেট কামরুন নাহার বেগম রচিত “আমার দেখা অস্ট্রেলিয়া মহাদেশ এবং এশিয়া ও ইউরোপের ১৩টি দেশ” গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতা করছিলেন।
তিনি বলেন, বই পড়ার পাশাপাশি ডায়রি লিখাও প্রয়োজন। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ডায়রি লিখার কথা উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, জাতির পিতার ডায়রি লিখার প্রচন্ড অভ্যাস ছিল। এটা একটা ভাল দিক। তিনি যদি ডায়রি না লিখতেন আজকের প্রজন্ম জাতির পিতার অসমাপ্ত আত্মজীবনী চোখে দেখতো না।
প্রিমিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. অনুপম সেন এর সভাপতিত্বে শিক্ষা উপমন্ত্রী ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী, চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এম এ সালাম, রাঙ্গুনিয়া উপজেলা চেয়ারম্যান শাহজাহান শিকদার, চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. রফিকুল আলম, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. শিরীন আকতার বক্তৃতা করেন।
বিশেষ অতিথির বক্তৃতায় শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী বলেন, বই না পড়ার কারণে মানুষের মন সংকীর্ণ হয়ে পড়েছে। বই পড়তে হবে, বই পড়ার বিকল্প নেই। বই না পড়ার কারণে মানুষের লেখনি শক্তি লোপ পেয়েছে।
প্রবন্ধকার বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক বিশিষ্ট পরিবেশবিদ এবং সরকারের তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদরে মা প্রফেসর এ্যাভোকেট কামরুন নাহার বেগম ১৭৯১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক ছিলেন।
তিনি চট্টগ্রামের পটিয়ায় জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ১৯৮০ সালে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রাষ্ট্রবিজ্ঞানে এম.এ ডিগ্রি এবং ১৯৮১ সালে চট্টগ্রাম আইন কলেজ থেকে এলএলবি ডিগ্রি লাভ করেন। প্রফেসর কামরুন নাহার বেগমের কর্মজীবন শুরু হয় চট্টগ্রাম রাঙ্গুনিয়া ডিগ্রি কলেজে রাষ্ট্রবিজ্ঞানের অধ্যাপক হিসেবে।
এরপর তিনি ১৯৮৮ সালে আইন পেশায় যোগদান করে অদ্যাবধি আইন পেশায় নিয়োজিত আছেন। তাঁর সুদীর্ঘ কর্মজীবনে তিনি বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক, রাজনীতিক, মানবাধিকারমূলক বিভিন্ন কর্মকান্ডে প্রত্যক্ষভাবে জড়িত আছেন। তিনি নারী অধিকার এবং সমাজের নারীর মর্যাদা সম্পর্কে স্থানীয় পত্রপত্রিকায় লিখে থাকেন।
