সিটি নিউজঃ প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) বলেছেন, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে সরকারী ছুটি বাতিল করা হয়েছে। তিনি বলেন, ‘চট্টগ্রামের নির্বাচন নিয়ে আমরা অতিরিক্ত কিছু পদক্ষেপ নিয়েছি। নির্বাচনের দিনে আমরা সাধারণত সরকারি-বেসরকারি অফিস বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত দেই। কিন্তু যেহেতু ২৬ থেকে ২৯ মার্চ টানা কয়েক দিনের বন্ধ। এ অবস্থায় আমরা যদি নির্বাচনের দিন অফিস বন্ধ রাখি তাহলে চারদিন-পাঁচদিনের একটি ছুটির ফাঁদে পড়বে ভোটাররা। তখন তারা নির্বাচনকে প্রাধান্য না দিয়ে, বাড়ি চলে যেতে পারে। এ প্রেক্ষপট বিবেচনা করে নির্বাচনের দিন অর্ধবেলা অফিস খোলা থাকবে, বিকেলের দিকে অফিস বন্ধ থাকবে।’
আজ শনিবার (১৪ মার্চ) দুপুরে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজে আয়োজিত রিটার্নিং অফিসার, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
কে এম নুরুল হুদা বলেন, যান চলাচলের ব্যাপারে অন্যান্য নির্বাচনে আমরা কঠোর অবস্থানে থাকি, যেকোনো ধরনের ব্যক্তিগত পরিবহন ও বাস-মিনিবাস বন্ধ রাখি। দেখা গেছে যান চলাচল বন্ধ থাকার কারণে ভোটাররা দূরের ভোট কেন্দ্রে গিয়ে ভোট দিতে পারেন না। অনেকে সে অজুহাতে ভোট দিতে যান না। সেক্ষেত্রে আমরা বলেছি, পুলিশ কমিশনার ও জেলা প্রশাসন রিটার্নিং কর্মকর্তার সঙ্গে প্রথমে বসে পরে ট্রান্সপোর্ট সেক্টরের শ্রমিক নেতাদের সঙ্গে বসে কত সীমিত আকারে যান চলাচল চালু রাখা যায় সে ব্যাপারটি ঠিক করবেন।
সিইসি বলেন, বিভিন্ন সময় কেন্দ্র থেকে পোলিং এজেন্টদের বের করে দেয়ার অভিযোগগুলো পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, অধিকাংশ ক্ষেত্রে পোলিং এজেন্ট কেন্দ্রে আসেননি। পোলিং এজেন্ট হবে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর নির্ভরযোগ্য ব্যক্তি। কেন্দ্রে কোনো অনিয়ম হলে তাকে প্রতিবাদ-প্রতিরোধ করার ক্ষমতা থাকতে হবে।
