চন্দনাইশ প্রতিনিধিঃ চন্দনাইশে হঠাৎ করে দোকানে ও ঘরে চুরি বৃদ্ধি পেয়েছে। গত ৭ জুলাই দিবাগত গভীর রাতে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় চোরের দল তালা ভেঙ্গে দোকান ও ঘরে প্রবেশ করে লক্ষ লক্ষ টাকার মালামাল চুরি করে নিয়া যায়।
এ ব্যাপারে থানায় পৃথক পৃথক অভিযোগ দায়ের হয়েছে বলে স্বীকার করেছেন থানা অফিসার ইনচার্জ।
জানা যায়, গত ৭ জুলাই দিবাগত গভীর রাতে চন্দনাইশ পৌরসভার হাজীর পাড়া নুরুল কাদের ও তাহার ভাইদের বাড়ীতে লোকজন না থাকার সুযোগে তালা ভেঙ্গে ঘরে প্রবেশ করে নগদ টাকা, স্বর্ণাংলকার, মূল্যবান কাপড়-চোপড়, ক্রোকারীজ, ইলেক্টট্রিক সামগ্রী, মূল্যবান দলিলসহ কয়েক লক্ষ টাকার মালামাল চুরি করে নিয়ে যায়।
এ ব্যাপারে নুরুল কাদের বাদী হয়ে থানা অভিযোগ করেন। অপর দিকে বরমা বাতাজুরী মোনাফ চেয়ারম্যানের বাড়ীর আবদুল মালেকের ঘরে তালা ভেঙ্গে প্রবেশ করে ১০ ভরি স্বর্ণ ও নগদ ৪ হাজার টাকা নিয়া যায় বলে, থানায় অভিযোগ করেছেন আবুদল মালেকের স্ত্রী সফিয়া বেগম।
একই রাতে বরকল মহিষমরা খালের পাড়ে বাসিন্দা আবদুল মোনাফের বাড়ীতে চোরের দল দরজা ভেঙ্গে প্রবেশ করে তার মেয়ে ও অপর এক মহিলাকে উড়না দিয়ে চোখ বেঁধে নগদ ২০ হাজার টাকা ৮ আনা স্বর্ণ নিয়ে যায়। এ ব্যাপারে আবদুল মালেকের মেয়ে রেখা আকতার বাদী হয়ে থানায় অভিযোগ দায়ের করে।
একই রাতে সাতবাড়িয়া ভগবান চৌধুরীর হাটে ৫টি, বড়ুয়া পাড়ায় ২টি, যতরকুলে ৬টি দোকানে চুরি সংগঠিত হয়। ভগবান চৌধুরী হাটে আমিনুল ইসলামের মুদির দোকান, আবদুল মন্নানের মুদির দোকান, নাছির ষ্টোর, আরমান ষ্টোর, বদিউল আলম ষ্টোর, বড়ুয়া পাড়ার রাজেশ ষ্টোর, সুমন ষ্টোর, যতরকুলের জামাল ও নুর মোহাম্মদের চায়ের দোকান, জামালের ঔষধের দোকান, রহিম ষ্টোর, লিটন ষ্টোর, ইউচুপ ষ্টোরে চোরের দল প্রবেশ করে নগদ টাকা, দোকানের মালামালসহ কয়েক লক্ষ টাকা চুরি করে নিয়া যায়।
এ ব্যাপারে থানা অফিসার ইনচার্জ কেশব চক্রবর্তী বলেছেন, হঠাৎ করে চিছকে চোরের উপদ্রব বৃদ্ধি পেয়েছে। বেশ কিছু মানুষ ঘরে ও দোকানে তালা বন্ধ করে রাখায় লোকজন না থাকার সুযোগে গ্রীল ও তালা ভেঙ্গে চুরি সংগঠিত করছে। একাধিক অভিযোগ পাওয়ার কথা স্বীকার করে তিনি বলেছেন, ঘটনার সাথে সম্পৃক্ত মনে হলে ঐধরনের বখাটেদের গ্রেপ্তার করে প্রকৃত চোরদের বের করে আইনের আওতায় আনা হবে।
