৭ই অক্টোবর মামলার তদন্ত প্রতিবেদন

চন্দনাইশের নিহত দুই ভাইয়ের মামলার বাদী শংকিত

0

সিটি নিউজ,চট্টগ্রাম : টেকনাফে কথিত বন্দুকযুদ্ধে চন্দনাইশের নিহত দুই ভাইয়ের মামলার বাদী বোন রিনাত সুলতানা (শাহীন) শংকিত এবং নিরাপত্তাহীনতায় ভূগছেন।

গত ২ সেপ্টেম্বর এ ঘটনাকে নৃশংস হত্যাকান্ড দাবি করে চট্টগ্রামের বিজ্ঞ চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কামরুন নাহার রুমির আদালতে দন্ডবিধির ৪৪৯/৩৪১/৩৬৪/৩৬৫/৩৮৫/৩০২/১০৯/৩৪ ধারায় মামলাটি দায়ের করেন নিহতদের বোন।

আগামী ৭ই অক্টোবর জোড়া খুনের মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের দিন ধার্য্যের তারিখ রয়েছে।এ বিষয়ে মামলার বাদী শংকিত এবং নিরাপত্তাহীনতায় ভূগছেন মর্মে গত ১ অক্টোবর চট্টগ্রাম রেঞ্জ ডিআইজি বরাবর লিখিতভাবে জানান।

কক্সবাজারের টেকনাফে ৮ লক্ষ টাকা চাঁদার দাবীতে গত ১৬ জুলাই রাতে পুলিশের সাথে প্রবাসী আজাদুল ইসলাম আজাদ-(২৩) ও ব্যবসায়ী আমানুল ইসলাম ফারুখ (৩৭) দুই ভাই এর জোড়া খুনের মামলায় টেকনাফ থানার সাবেক ওসি প্রদীপসহ টেকনাফ থানার ৫ জন এবং চন্দনাইশ থানার সাবেক ওসি কেশবসহ আরো ৫-৬ জন চন্দনাইশ থানার সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তা, কর্মচারী ও স্থানীয় সোর্সের পদবী উল্লেখ করা হয়েছে।

ইতিমধ্যে বাদী ও সাক্ষীরা তাদের নাম ও অপরাধের সাথে সংশ্লিষ্টতার প্রামান্য দলিলপত্র, সিসিটিভি ফুটেজ ইত্যাদি তদন্ত কর্মকর্তা এ.এস.পি সার্কেল মোঃ মফিজ উদ্দিনের কাছে জমা দেন।

এদিকে পুলিশ প্রশাসন ইতিমধ্যে কক্সবাজার, মহানগর ও জেলার বিতর্কিত পুলিশ সদস্যদের প্রত্যাহারের নির্দেশ দিলেও চন্দনাইশ থানার বিতর্কিত পুলিশ সদস্যরা এখনও বহাল তবিয়তে রয়েছেন। বিচারে স্বচ্ছতা রক্ষার্থে ন্যায় ও সুবিচারের স্বার্থে অবিলম্বে তাদের প্রত্যাহারের জন্য মানবাধিকার কর্মীরা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও আইজিপি মহোদয়ের সদয় দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন ।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে চন্দনাইশ থানার ওসি নাসির উদ্দিন সরকার সিটি নিউজকে বলেন,আদালতের নির্দেশে এই মামলার তদন্ত চলছে। নিরপেক্ষতা এবং দক্ষতার সঙ্গে মামলটির তদন্ত সম্পন্ন করা হবে।

জি.এস / সিটি নিউজ,চট্টগ্রাম।

এ বিভাগের আরও খবর
আপনার মতামত লিখুন :

Your email address will not be published.