গড ফাদাররাই রাজনীতির নিয়ন্ত্রকঃ চলে ‘মাই ম্যান’ পদ্ধতিতে
জুবায়ের সিদ্দিকী/দিলীপ তালুকদারঃ সারাদেশে তৃণমূলের রাজনীতিকে চাঙ্গা করতে এবং ত্যাগী পরীক্ষিতদের মূল্যায়ন করতে চট্টগ্রামসহ সারাদশে “গডফাদারদের মাই ম্যান” বা আমার লোক ও অনুসারী প্রথা ভাঙতে যাচ্ছে আওয়ামী লীগ। ইতিমধ্যে আট বিভাগে আটটি সাংগঠনিক টিম গঠন করা হয়েছে।
তবে তৃণমূলের মাঝে প্রশ্ন উঠেছে। কে ভাঙবে এই অতীতের ধারাবাহিক প্রথা। স্থানীয় নেতা, স্থানীয় বর্তমান ও সাবেক সংসদ সদস্যরা নিজের লোকদের বাহিরে গিয়ে ত্যাগী পরীক্ষিতদের মূল্যায়নে কতটা সফল হবেন।
কমিটির উপর তৃণমূলের আস্তা থাকলেও ঘুরপাক খাচ্ছে নানা প্রশ্ন। কেউ মেয়রের সাবেক বা বর্তমানদের কাছের লোক, অনুসারী। কেউ স্থানীয় মন্ত্রি বা সংসদ সদস্যদের খাস লোক বলে পরিচিত রাজনীতির মাঠে। এদের রাজনীতির মানচিত্র বা প্ল্যাট ফরমকে বাদ দেওয়াটা হবে কঠিন ও দুরুহ ব্যাপার। এমন মন্তব্য তৃণমূলের।
সাত সকালে নেতাদের ড্রইংরুমে গেলে দেখা যায়, ফরিয়াদী মানুষের চেয়ে চামচা-চাটুকাররাই বেশী। এরা তেল মর্দন ও কাজকর্ম ভাগিয়ে নিতেই ভিড় করে বাসায়।
স্থানীয় এক আওয়ামী লীগ নেতা বলেন, স্থানীয় গডফাদারদের প্রশ্রয়ে দীর্ঘদিন যাবত লালিত পালিত হচ্ছে কুখ্যাত সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ, বিএনপি-জামাতের নেতাকর্মী। বিতর্কিতরাই ঘুরে ফিরে গডফাদারদের তেল মালিশ আর চাটুকারী করে পদ-পদবীতে বহাল হয়।
দায়িত্বপ্রাপ্তরা কঠিন চ্যালেঞ্জের মধ্যে দায়িত্ব পালন করলেও কিভাবে স্থানীয় এসব গডফাদারদের এড়িয়ে যাবেন কমিটি গঠনে সেটাই এখন তৃণমূলের নেতাকর্মীদের চিন্তার বিষয় হয়ে উঠেছে। এসব স্থানীয় গডফাদাররা অর্থ, অস্ত্র ও সমর্থন নিয়ে ক্যাডার দিয়ে নিজস্ব বলয় তৈরী করেছে অনেক আগেই।
এই গডফাদাররাই রাজনীতির নিয়ন্ত্রক স্থানীয় রাজনীতিতে ক্ষমতাসীনদলের স্থানীয় গডফাদারদের অপকর্মের কাহিনী সাধারণ মানুষের অজানা নেই। এতে করে সরকারের ভাবমূর্তিই শুধু বিনষ্ট হচ্ছেনা সরকারের সামলোচনায় মুখরিত হয়ে ক্ষুব্ধ হচ্ছে। এটা ক্ষমতাসীনদলের জন্য অশুভ একটা সংকেত।
