অর্থবাণিজ্য ডেস্ক : ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) বাজারে বাংলাদেশের মৎস ও মৎসজাত পণ্যের প্রবেশাধিকার বাড়বে বলে আশা প্রকাশ করেছেন সংস্থাটির ডেলিগেশন প্রধান ও রাষ্ট্রদূত পিয়েরে মায়াউডন।
রাজধানীর একটি হোটেলে রবিবার দুপুরে ‘ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও বাংলাদেশের খাদ্য নিরাপত্তার সমতুল্যতা’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে পিয়েরে মায়াউডন এ কথা জানান।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মৎস ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ ছায়েদুল হক। ‘বেটার ওয়ার্ক এন্ড স্ট্যান্ডার্ডস প্রোগ্রাম-বেটার ফিশারিজ কোয়ালিটি [বেস্ট-(বিইএসটি)-বিএফকিউ]’ প্রকল্পের উদ্যোগে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রয়োজনীতার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বাংলাদেশে শক্তিশালী খাদ্য নিরাপত্তা ব্যবস্থা বিনির্মাণে ‘বেস্ট প্রকল্প’ যে অবদান রেখেছে তার প্রশাংসা করে পিয়েরে মায়াউডন বলেন, ইইউ’র বাজারে মৎস ও মৎসজাত পণ্যের প্রবেশাধিকার বৃদ্ধি পাবে বলে আশা করছি।
বাংলাদেশের মৎস খাতের সামগ্রিক উন্নয়নে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সমর্থন অব্যাহতভাবে বাড়বে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।মৎস ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ ছায়েদুল হক বলেন, বাংলাদেশ খাদ্য নিরাপত্তা ও ল্যাবরেটরি পরীক্ষায় সঠিকভাবে পথ চলছে। ফলে দেশের প্রাণিজ আমিষ এবং খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত হচ্ছে। অন্যদিকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের মান অনুযায়ী মৎস ও মৎসজাত পণ্য রফতানি করে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন হচ্ছে।
এই প্রকল্পে সহযোগিতার জন্য ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং সংশ্লিষ্ট বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোকে ধন্যবাদ জানান মন্ত্রী।
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন মৎস ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব মাকসুদুল হাসান খান, মৎস অধিদফতরের মহাপরিচালক সৈয়দ আরিফ আজাদ, নরওয়ের রাষ্ট্রদূত মেরেটে লুন্দেমো। ‘ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও বাংলাদেশের খাদ্য নিরাপত্তার সমতুল্যতা’ বিষয়ের ওপর মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ডা. টি এস শেঠী।
মূল প্রবন্ধে তিনি বাংলাদেশের খাদ্য নিরাপত্তা ব্যবস্থা ইউরোপীয় ইউনিয়নের সমতুল্যতা অর্জনে বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন।
এর মধ্যে মানবসম্পদ উন্নয়ন, ল্যবরেটরি পরীক্ষার সক্ষমতা বাস্তবায়ন, আইনি নিরাপত্তা এবং সামাজিক সচেতনতার কথা উল্লেখ করেন।
