ডেস্ক রিপোর্ট : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ইসলামী ব্যাংক প্রতিষ্ঠা করা হয় জনগণের স্বার্থের জন্য। কিন্তু বিএনপি-জামায়াত ক্ষমতায় এসে এই ব্যাংককে ব্যবহার করে নিজেদের স্বার্থে। আর আওয়ামী লীগ সরকার ইসলামি প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নে বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছে।
মঙ্গলবার রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের ৪১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘১৯৭৫ সালের পরে বাংলাদেশে ১৯টি ক্যু হয়েছে। ১৯৯৬ সালে ক্ষমতায় আসার পর আমাদের আওয়ামী লীগ সরকার পুনরায় জাতির পিতার আদর্শে ইসলামকে সমুন্নত করতে সচেষ্ট হয়। আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় এসে ইসলামের জন্য কাজ করে। ইমাম-মুয়াজ্জিনদের জন্য বিশেষ কোনো ব্যবস্থা ছিল না। আমরা তাদের জন্য কল্যাণ ট্রাস্ট গঠন করি। আমরা মুসলমানদের জন্য শরিয়াহভিত্তিক ব্যাংকিং ব্যবস্থার প্রচলন ঘটিয়েছি।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘জাতির পিতা একজন সত্যিকারের মুসলমান ছিলেন। ইসলামের কল্যাণে তিনি ইসলামিক ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠাসহ নানা কার্যক্রম পরিচালনা করেন। তিনি এ দেশের সাধারণ মানুষের কল্যাণে নিজের জীবন উৎসর্গ করেন। তিনি বলেন, ‘আমরা বায়তুল মোকাররম মসজিদের সংস্কারে কাজ করেছি। আমাদের এই জাতীয় মসজিদে এখন একসঙ্গে ২০ হাজার মুসল্লি নামাজ আদায় করতে পারেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, শিক্ষার প্রসার শুরু হয় মাদ্রাসা শিক্ষা দিয়ে। ধর্মীয় শিক্ষা ছাড়া কোনো শিক্ষাই পূর্ণাঙ্গ হয় না। তাই শিশুকাল থেকে সন্তানদের এই শিক্ষা দিতে হবে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ২০০১ সালে বিএনপি-জামায়াত ক্ষমতায় আসার পর বাংলাদেশ জঙ্গিদের দেশে পরিণত হয়। ৭১ সালে পাকিস্তান যেভাবে হত্যা চালিয়েছিল, ঠিক একই কায়দায় তারাও হত্যা চালিয়েছে।
ওলামায়ে কেরামদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, ইসলাম প্রচারের পাশাপাশি দেশে যাতে জঙ্গিবাদ মাথাচাড়া না দেয়, সে জন্য কাজ করে যেতে হবে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বিশ্বমঞ্চে অনেকেই বলে থাকেন, ইসলাম ধর্ম সন্ত্রাসীদের ধর্ম। আমি উচ্চস্বরে বলেছি, জঙ্গির কোনো ধর্ম থাকতে পারে না। ইসলাম শান্তির ধর্ম। এ ধর্ম কখনোই জঙ্গিবাদকে সমর্থন করে না।

Comments are closed.