প্রবাসী দানবীর জসিম উদ্দিন স্মার্ট গ্রামের রুপকার

0

প্রচার বিমুখ একজন প্রবাসী ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক, যিনি তাঁর জন্মস্থান রাউজানে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, যোগাযোগ (সড়ক নির্মাণ), এবং দরিদ্রদের খাদ্য ও বাসস্থান সহায়তার মতো জনকল্যাণমূলক কাজে বড় অবদান রাখায় “মানবতার প্রতীক” হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছেন আলমাস ইউনুস ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ও আধুনিক নোয়াপাড়ার রুপকার আলহাজ্ব মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন। প্রচারনা ছাড়া দেড় যুগ ধরে এলাকায় ব্যাপক সামাজিক কাজ করছেন তিনি।

আলহাজ্ব মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন সংযুক্ত আরব আমিরাতের আজমানে আবাসন ও অন্যান্য ব্যবসায় সফল এবং সেখান থেকে অর্জিত অর্থ নিজ এলাকায় সামাজিক উন্নয়ন কাজে ব্যয় করেন।

আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তিনি একজন সফল ব্যবসায়ী হলেও, নিজ এলাকার মানুষের উন্নয়নে নিঃস্বার্থ কাজ তাকে ‘মানবতার ফেরিওয়ালা’ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।

দীর্ঘদিন থেকে স্রোতের বিপরীতে দাঁড়িয়ে রাউজানে মানবতার কল্যাণে প্রবাসী জসীম উদ্দীন গরিব অসহায় হাজার শিক্ষার্থীর পড়ালেখার দায়িত্ব নেয়া, বাড়ি বানিয়ে দেয়া, সিএনজি গাড়ি দান, নিজ খরচে সরকারি রাস্তা উন্নয়ন করাসহ নানা কাজ করে যাচ্ছেন।

তিনি জসিম উদ্দিন ফাউন্ডেশন এবং ইউনুছ-আলমাস ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে প্রতি বছর অনেক দুস্থ পরিবারকে খাদ্য সামগ্রী, নতুন ঘর নির্মাণ ও টিউবওয়েল বিতরণ করেন।

উন্নয়নমূলক কাজ রাউজান নোয়াপাড়ায় তিনি ব্যক্তিগত উদ্যোগে বহু সড়ক নির্মাণে অর্থায়ন করেছেন যার মধ্যে ‘জসিম উদ্দিন সড়ক-৩’ স্থানীয় মানুষের দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ লাঘব করেছে।

তাঁর জনহিতকর কাজের জন্য তিনি ‘মানবতার ফেরিওয়ালা’ হিসেবে পরিচিত, কারণ তিনি মানুষের পাশে দাঁড়ানোকে জীবনের ব্রত হিসেবে নিয়েছেন।

রাউজানের জসিম উদ্দিন একজন সফল ব্যবসায়ী হওয়ার পাশাপাশি নিঃস্বার্থভাবে মানুষের সেবা করে “মানবতার প্রতীক” হিসেবে পরিচিতি পেয়েছেন।

শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) রাত ৯ টায় রাউজান নোয়াপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের প্রবাসীরা ঐক্যবদ্ধ হয়ে দানবীর জসিম উদ্দিনকে দুবাই রেষ্টুরেন্টে সংবর্ধনা প্রদান করেছেন। রাউজানে দেশের সর্ববৃহৎ আধুনিক মসজিদ নির্মাণ,প্রতি বছরের ন্যায় এবার ২৫ হাজার পরিবারকে ইফতার সামগ্রী বিতরণসহ নানা সামাজিক কাজ করার উদ্যোগ গ্রহন করবেন বলে অনুষ্ঠানে তার পক্ষে ঘোষণা করেন।

এ বিভাগের আরও খবর
আপনার মতামত লিখুন :

Your email address will not be published.