অর্থ ও বাণিজ্য : বরমজান মাস আসলেই খেজুরের চাহিদা বেড়ে যায়। এর প্রয়োজনীয়তা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে দাম বেড়েছে কয়েকগুণ। ক্রেতাদের অভিযোগ, বছরের অন্য সময়ের তুলনায় ব্যবসায়ীরা প্রতিকেজি খেজুরের দাম নিচ্ছেন ৩৫৬ টাকা থেকে ৪৫ টাকা বেশি। আবার অনেকের অভিযোগ, সুপার শপে খেজুরের দামের চেয়ে খোলা বাজারে খেজুরের মূল্য অনেকটা বেশি। এ জন্য রমজানে নিয়মিত বাজার মনিটরিংয়ের দাবি জানান ক্রেতারা।
বিক্রেতারা বলছেন, খেজুরের ধরন, মান ও জাত বিবেচনা করেই ক্রেতাদের কাছ থেকে দাম নেওয়া হচ্ছে। এ ক্ষেত্রে ভালো খেজুরের বেশি দাম, অপেক্ষাকৃত নিম্নমানের খেজুরের দাম কম নেওয়া হচ্ছে।
বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, প্রতিকেজি মরিয়ম খেজুর ৮০০ থেকে ১২০০ টাকা, তিউনিসিয়া ৩০০ থেকে ৬৫০ টাকা, সাফারি ৩০০ থেকে ৪৫০ টাকা, বরই খেজুর ২৫০ থেকে ৪০০ টাকা, সাধারণ খেজুর ৯০ থেকে ১৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। সাধারণ জনগণ জানালেন সুপার শপগুলোতে রমজানে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বেশি থাকার কথা, সেখানে দাম কম। অথচ বাহিরে যেকোনো দোকান থেকে খেজুর বেশি দামে কিনতে হচ্ছে। সিটি করপোরেশনের বাজার মনিটরিং ব্যবস্থা থাকলেও সেরকম কোনো পদক্ষেপ চোখে পড়েনি। ব্যবসায়ীরা তাদের ইচ্ছে মতো দামে খেজুর বিক্রি করছেন।
খেজুরের দাম বেশির কারণ হিসেবে এক শ্রেণির অসাধু পাইকারি ব্যবসায়ীদের দায়ি করছেন খুচরা ব্যবসায়ীরা। তারা বলেন, পাইকারি খেজুর বিক্রি করে তাদের দামের ওপর নির্ভর করে খুচরা বিক্রির দাম। আমরা যখন বেশি দামে খেজুর কিনে নিয়ে আসি তখন একটু বেশি দামে বিক্রি করা ছাড়া কোনো উপায় থাকে না।
জনগন দাবি করেন যদি সিটি কপোরেশন তাদের বাজার মনিটরিং ব্যবস্থা সচল রাখে তাহলে খেজুর দাম বৃদ্ধির কোন আশংঙ্কা নেই।

Comments are closed.