চন্দনাইশে মাধ্যমিক স্কুল জাতীয়করণে অনিয়মের অভিযোগ

0

নিজস্ব সংবাদদাতা, চন্দনাইশ : বেসরকারি মাধ্যমিক স্কুল জাতীয়করণ করনের জন্য সরকার কর্তৃক চাহিদা মোতাবেক তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্ত করতে অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেছে। মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের উপজেলা মাধমিক শিক্ষা কর্মকর্তা এ দুর্নীতির আশ্রয় নিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। তালিকা নাম দেয়ার কথা বলে বিভিন্ন বিদ্যালয় থেকে অর্থ আদায়েরও অভিযোগ উঠেছে।

জানা যায়, তালিকায় প্রতিটি উপজেলা থেকে মাত্র ৫টি বিদ্যালয়ের নাম দেয়ার কথা রয়েছে। তবে এ তালিকাটি অত্যন্ত গোপনীয় হওয়ায় তাদের বিদ্যালয়ের নাম দেয়া হয়েছে কিনা, তা জানতে পারেন নি অনেকেই। এমপির ইচ্ছায় তালিকায় নাম উঠেছে। চট্টগ্রাম জেলা শিক্ষা অফিসার হোসনে আরা বেগম বলেছেন, উপজেলা থেকে জেলা অফিসে তালিকা পাঠানোর শেষ তারিখ ছিল ২৮ সেপ্টেম্বর। সে অনুযায়ী চট্টগ্রামের ৮টি উপজেলার অধিকাংশ তালিকা নির্দিষ্ট সময়ে জেলা অফিসে এসে পৌছেছে। মাধ্যমিক স্কুল জাতীয়করণের জন্য ৪ থেকে ৫টি শর্ত যুক্ত নির্দেশনা জেলা শিক্ষা অফিসারের কাছে পাঠায় মাধ্যমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তর নির্দেশনায় চট্টগ্রামের ৮টি উপজেলার মডেল বিদ্যালয়সহ ৫টি করে স্কুলের তালিকা জমা দিতে বলা হয়। তবে বিশ্বস্ত সূত্রে জানা যায়, ১০ লক্ষ টাকা ব্যাংক ব্যালেন্স অনেক বিদ্যালয়ে না থাকা সত্ত্বেও তালিকায় নাম এসেছে এ সকল বিদ্যালয় গুলোর।
জেলা শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা যায়, বেসরকারি স্কুল জাতীয়করণে মডেল ৮টি উপজেলার মডেল স্কুলসহ ৫টি করে স্কুলের তালিকা চাওয়া হয়। উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তাগণ যাচাই বাছাই করে শীর্ষ স্থানীয় ৫টি বিদ্যালয়ের তালিকা জেলা শিক্ষা অফিসারকে ২৮ সেপ্টেম্বরের মধ্যে জমা দিয়েছেন বলে জানা যায়। গত ১৫ সেপ্টেম্বর পাঠানো এ নির্দেশনা অনুযায়ী তালিকায় নাম দেয়ার ক্ষেত্রে যে সব যোগ্যতার কথা বলা হয়েছে, তন্মধ্যে স্কুলটি উপজেলা সদরের নিকটবর্তী হতে হবে, পাশের হার বেশি হতে হবে, নিজস্ব জায়গা থাকতে হবে, কমপক্ষে ১০ লক্ষ টাকা ব্যাংক ব্যালেন্স থাকতে হবে। কিন্তু চন্দনাইশ সদরস্থ উপজেলা পরিষদের সম্মুখে দৃষ্টিনন্দন কাসেম মাহবুব উচ্চ বিদ্যালয়ের নামটি তালিকায় দেয়া হয়নি বলে জানা যায়।
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আবু কাউসার বলেছেন, প্রথম পর্যায়ে চন্দনাইশের ফাতেমা জিন্নাহ বহুমুখী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, গাছবাড়ীয়া এনজি উচ্চ বিদ্যালয়, কাঞ্চনাবাদ উচ্চ বিদ্যালয়, দোহাজারী জামিজুরী আঃ রহমান উচ্চ বিদ্যালয় ও কাসেম মাহবুব উচ্চ বিদ্যালয়ের নাম দেয়া হয়েছিল। কিন্তু স্থানীয় সাংসদ কাসেম মাহবুব উচ্চ বিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন করে জোয়ারা বিশ্বম্ভর চৌধুরী উচ্চ বিদ্যালয়ের নাম জমা দিয়েছেন বলে তিনি জানান। তাছাড়া তিনি কোন রকম অনিয়ম করেন নি বলেও জানিয়েছেন।

এ বিভাগের আরও খবর
আপনার মতামত লিখুন :

Your email address will not be published.