সিটিনিউজবিডি : চট্টগ্রাম বেকারি মালিক সমিতির প্রতিনিধি সভায় বক্তারা বলেন, ভেজালমুক্ত স্বাস্থ্য সম্মত সু-খাদ্য উৎপাদনের অঙ্গিকার বাস্তবায়নে সম্মেলনের মাধ্যমে সমিতির পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করতে হবে। চট্টগ্রামে যেসব বেকারি সরকারি অনুমোদন বিহীন ভেজাল পণ্য উৎপাদন ও পঁচা ডিম ব্যবহার করেন তাদেরকে চিহ্নিত করে শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে।
আজ ১২ই নভেম্বর ২০১৬ইং, বিকাল ৪টার সময়, চট্টগ্রাম বেকারি মালিক সমিতির এক বিশেষ প্রতিনিধি সভা চেরাগী পাহাড়স্থ মনিরুজ্জামান ইসলামাবাদি মেমোরিয়াল হলে অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত সভায় সভাপতিত্ব করেন সমিতির প্রধান উপদেষ্টা মোহাম্মদ কামাল উদ্দিন। সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ফুলকলি ফুডস প্রোডাক্টসের জেনারেল ম্যানেজার এম এ সবুর ।
অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন জে পি‘র চট্টগ্রাম মহানগরের আহবায়ক আজাদ দোভাষ,এ্যাডভোকেট হেফাজ উদ্দিন,মো.দেলোয়ার হোসেন,বিবেকানন্দ বড়ুয়া কাঞ্চন,আশীষ চৌধুরী,মহিউদ্দিন চৌধুরী,মোহাম্মদ ফারুক,মোহাম্মদ মুসলে উদ্দিন,এস এম নুরুল আবসার, মোহাম্মদ আহাদ, মো. নাছির উদ্দিন,মো.মুকসুদ আলী,মো.জসিম উদ্দিন প্রমুখ। প্রতিনিধি সভায় উপস্থিত বেকারি মালিকগণ বলেন, ভেজালমুক্ত স্বাস্থ্য সম্মত সু-খাদ্য উৎপাদনের অঙ্গিকার বাস্তবায়নে প্রথম ও দ্বিতীয় সারির বেকারি মালিকদেরকে নিয়ে সমিতির পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করতে হবে।
বেকারি মালিকদের বৃহত্তর স্বার্থে তেল, চিনি, ময়দাসহ সকল কাঁচামালের মূল্য কমানোর জন্য সরকারের প্রতি দাবী জানান। চট্টগ্রাম বেকারি মালিক সমিতি আগামী সম্মেলনের মাধ্যমে পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণার পর নিয়মতান্ত্রিক কর্মসূচী পালন করবেন। এ প্রতিনিধি সভায় সিদ্ধান্ত হয় যে, বিগত তিনমাস পূর্বে সমিতির গঠিত অস্থায়ী ভিত্তিতে তিন মাসের জন্য আহ্বায়ক কমিটি অদ্য তারিখ হইতে বিলুপ্ত করা হলো এবং চট্টগ্রাম বেকারি মালিক সমিতির সাংগঠনিক তৎপরতা ও দক্ষতার কথা বিবেচনা করে সমিতির প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক ও বর্তমান উপদেষ্টা মো. কামাল উদ্দিনকে প্রধান করে একটি ১১জন বিশিষ্ট সম্মেলন পরিচালনা কমিটি গঠন করা হয় ।
চট্টগ্রাম বেকারি মালিক সমিতির সম্মেলন আগামী এক মাসের মধ্যে স্থানীয় মুসলিম হলে অনুষ্ঠিত হবে। উক্ত সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন মাননীয় ভুমি প্রতিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ। উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত থাকবেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মাননীয় মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দিন। সভায় অন্য এক প্রস্তাবে চট্টগ্রাম চেম্বারের সভাপতিকে প্রধান উপদেষ্টা করে দশজন বিশিষ্ট একটি উপদেষ্টা কমিটি গঠন করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
